ইন্টারনেটে ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল বিষয় অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর ব্যবহার ক্রমাগত বাড়ছে। তবে এই প্রযুক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্যবহারকারীর তথ্যের গোপনীয়তা। বাস্তবতা হলো, বেশিরভাগ এআই সিস্টেম সেবার মান উন্নয়ন এবং ভুল সংশোধনের লক্ষ্যে ব্যবহারকারীর ইনপুট বা প্রশ্নগুলো কোনো না কোনোভাবে সংরক্ষণ করে। যদিও অনেক ক্ষেত্রে এই তথ্যগুলো পরিচয়মুক্ত বা ‘অ্যানোনিমাইজড’ করে রাখা হয়, তবুও কিছু ক্ষেত্রে মানুষের মাধ্যমে এই কথোপকথনগুলো পর্যালোচনা করার সুযোগ থাকে। ফলে এআই-তে করা আপনার গোপন জিজ্ঞাসাগুলো সবসময় পুরোপুরি ব্যক্তিগত না-ও থাকতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে গোপনীয়তার সুরক্ষা অনেকাংশেই নির্ভর করে ব্যবহারকারীর নিজস্ব আচরণের ওপর। ব্যক্তিগত নাম, ঠিকানা, পাসওয়ার্ড বা আর্থিক তথ্যের মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলো সরাসরি এআই-এর সাথে শেয়ার করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, কারণ কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মই তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি থেকে শতভাগ মুক্ত নয়। বিশেষ করে তৃতীয় পক্ষের অনির্ভরযোগ্য অ্যাপ ব্যবহার করলে এই ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। তাই নিরাপদ থাকতে ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান এড়িয়ে চলা এবং প্ল্যাটফর্মগুলোর গোপনীয়তা নীতি সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। সহজভাবে বললে, এআই-তে গোপনীয়তা আংশিক; এটি যেমন নতুন সম্ভাবনা খুলেছে, তেমনি এর নিরাপদ ব্যবহারের জন্য প্রযুক্তির চেয়ে ব্যবহারকারীর সচেতনতাই এখন প্রধান রক্ষাকবচ।
রিপোর্টারের নাম 

























