ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশে পেপ্যাল চালুর জোরালো উদ্যোগ: ফ্রিল্যান্সিং ও অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা

বাংলাদেশে পেপ্যাল সেবা না থাকায় ফ্রিল্যান্সাররা দীর্ঘদিন ধরে যে সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন, তা নিরসনে নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী আবারও এই আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে চালুর বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। পেপ্যাল না থাকায় অনেক দক্ষ ফ্রিল্যান্সার কাজ হারিয়েছেন এবং দেশ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পেপ্যাল চালু হলে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সারদের অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রে যে সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়, তার অবসান ঘটবে। সরাসরি পেমেন্ট গ্রহণের সুবিধা থাকলে লেনদেনে স্বচ্ছতা আসবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের অর্থনীতির ভিতকে আরও মজবুত করবে।

এছাড়া ই-কমার্স খাতের আন্তর্জাতিকীকরণেও পেপ্যাল বড় ভূমিকা রাখবে। দেশি উদ্যোক্তারা খুব সহজেই বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পণ্য পৌঁছে দিতে পারবেন এবং পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন। দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে পেপ্যাল চালুর এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের আইটি খাত এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গের চূড়ান্ত দফার নির্বাচন: শেষ দিনের প্রচারণায় তারকার হাট ও রাজনৈতিক উত্তাপ

বাংলাদেশে পেপ্যাল চালুর জোরালো উদ্যোগ: ফ্রিল্যান্সিং ও অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা

আপডেট সময় : ১১:১৯:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশে পেপ্যাল সেবা না থাকায় ফ্রিল্যান্সাররা দীর্ঘদিন ধরে যে সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন, তা নিরসনে নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী আবারও এই আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে চালুর বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। পেপ্যাল না থাকায় অনেক দক্ষ ফ্রিল্যান্সার কাজ হারিয়েছেন এবং দেশ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পেপ্যাল চালু হলে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সারদের অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রে যে সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়, তার অবসান ঘটবে। সরাসরি পেমেন্ট গ্রহণের সুবিধা থাকলে লেনদেনে স্বচ্ছতা আসবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের অর্থনীতির ভিতকে আরও মজবুত করবে।

এছাড়া ই-কমার্স খাতের আন্তর্জাতিকীকরণেও পেপ্যাল বড় ভূমিকা রাখবে। দেশি উদ্যোক্তারা খুব সহজেই বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পণ্য পৌঁছে দিতে পারবেন এবং পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন। দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে পেপ্যাল চালুর এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের আইটি খাত এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।