গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি) ‘বাংলাদেশে জীবিকা উন্নয়নে জলবায়ু সহনশীল মৌমাছি পালন’ শীর্ষক এক সময়োপযোগী কর্মশালার আয়োজন করেছে। গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন অডিটোরিয়ামে হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের অর্থায়নে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই মৌপালন গড়ে তোলা, মৌমাছির স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা, রানী মৌমাছির উৎপাদন বৃদ্ধি, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা, শিল্প সহযোগিতা বাড়ানো এবং কৃষক-উদ্যোক্তাদের জন্য মৌপালনকে স্থিতিশীল ও লাভজনক জীবিকার উৎসে পরিণত করা। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার উপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাকৃবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন প্রকল্পের উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও কীটতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আহসানুল হক স্বপন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এম. ময়নুল হক, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ এবং গাকৃবি হিট প্রকল্পের ইউএটিএফএস-এর প্রধান ও পরিচালক (গবেষণা) প্রফেসর ড. মো. মসিউল ইসলাম। দেশের শীর্ষস্থানীয় কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বারি, ব্রি, বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর, গাকৃবির ডিন, পরিচালক, শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরাও এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সহযোগী উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রফেসর ড. মো. মামুনুর রহমান। এরপর ড. মো. আহসানুল হক জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মৌপালনের সম্ভাবনা, ‘এপিহেলথ রিসার্চ সেন্টার’ স্থাপনের পরিকল্পনা এবং প্রকল্পের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। প্রবন্ধ উপস্থাপনার পর ভাইস-চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় মৌপালনের বিপুল সম্ভাবনা, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলার কৌশল এবং গ্রামীণ জীবিকায় এর বাস্তব প্রভাব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত ব্যক্ত করা হয়। এরপর আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, “জলবায়ু পরিবর্ত”
রিপোর্টারের নাম 
























