সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানিয়েছেন যে, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি নিরাপত্তা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মিরপুর সেনানিবাসের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/১’-এর সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার ৫৪-৫৫ বছরেও দেশে দ্বিতীয় কোনো রিফাইনারি বা তেল শোধনাগার গড়ে না ওঠায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। বর্তমানে একটিমাত্র শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’র ওপর নির্ভর করতে হওয়ায় চাহিদার সিংহভাগ জ্বালানি উচ্চমূল্যে আমদানি করতে হয়। বিশেষ করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল কেন্দ্রিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালির সংকটের কারণে জ্বালানি সরবরাহ সরাসরি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে।
প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে সেনাপ্রধান বলেন, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া কার্যকর পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। দেশের আমদানি-রপ্তানি মূলত সমুদ্রপথনির্ভর হওয়ায় নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিমানবাহিনীর আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, সামরিক বাহিনী যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয় মূলত যুদ্ধ এড়ানোর জন্য। এছাড়া রোহিঙ্গা সংকটকে একটি জাতীয় সমস্যা হিসেবে অভিহিত করে তিনি এটি সমাধানে সবাইকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। ৫ থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত তিন সপ্তাহব্যাপী এই কোর্সে ৪৫ জন ফেলো অংশগ্রহণ করেন, যাদের হাতে প্রধান অতিথি হিসেবে সনদ তুলে দেন সেনাপ্রধান।
রিপোর্টারের নাম 





















