পিরোজপুরের জিয়ানগরে এক অদম্য সাহসী কিশোরী তাহমিনা আক্তারকে ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। নিজের বাল্যবিবাহ রুখে দিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে থানা পুলিশের সহায়তা নেওয়ার ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচিত হয়েছিল। এই সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ পিরোজপুর জেলা প্রশাসক তাকে সম্মাননা স্মারক এবং পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন।
সরকারি সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী তাহমিনা আক্তার জিয়ানগর উপজেলার ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের চাড়াখালী গ্রামের বাসিন্দা আলম হাওলাদারের মেয়ে। বুধবার পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ এই সম্মাননা ও অনুদান তার হাতে তুলে দেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মো. হাফিজুর রহমান তাহমিনার সাহসিকতার প্রশংসা করে বলেন, ‘অদম্য এই নারী শিক্ষার্থীর সাহসিকতায় আমরা মুগ্ধ। তার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। তাহমিনাকে সম্মাননা দিতে পেরে আমরা আনন্দিত।’ উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল তাহমিনা নিজের বিয়ে ঠেকানোর জন্য জিয়ানগর থানায় আশ্রয় নেয়। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে সে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পায়। এই ঘটনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 





















