ঢাকা ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য: ‘হাত বাঁধা ও পেট ফাড়া অবস্থায় নজরুলের লাশ পাই’

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে অভিযুক্ত বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি দিয়েছেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ নিহত নজরুল ইসলাম মল্লিকের চাচা হাবিবুর রহমান মল্লিক তার ভাতিজাকে হারানোর ভয়াবহ বর্ণনা দেন।

সাক্ষী জানান, ২০১০ সালের ৩ মার্চ বিডিআর সদস্য নজরুল ইসলাম নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে পত্রিকার পাতায় নজরুলের লাশের ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করা হয়। বর্ণনায় তিনি বলেন, নজরুলের দুই হাত পেছন থেকে বাঁধা ছিল এবং তার পেট চেরা বা ফাড়া অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। সাক্ষী আরও উল্লেখ করেন যে, বিডিআর বিদ্রোহের পর নজরুল নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত ছিলেন এবং প্রাণভয়ে নাম পরিবর্তন করে একটি ক্লিনিকে চাকরি নিয়েছিলেন।

জবানবন্দিতে বলা হয়, সাদা পোশাকধারী কয়েকজন লোক নজরুলকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় নিখোঁজ থাকার পর বলেশ্বর নদী থেকে তার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। ওয়ারিশ না পাওয়ায় পুলিশ তখন আঞ্জুমান মফিদুলের মাধ্যমে লাশটি দাফন করেছিল। জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে এমন একাধিক গুম ও হত্যার অভিযোগের বিচার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহীতে পারদ ছুঁলো ৪০ ডিগ্রি: তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবনে ত্রাহি অবস্থা

জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য: ‘হাত বাঁধা ও পেট ফাড়া অবস্থায় নজরুলের লাশ পাই’

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে অভিযুক্ত বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি দিয়েছেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ নিহত নজরুল ইসলাম মল্লিকের চাচা হাবিবুর রহমান মল্লিক তার ভাতিজাকে হারানোর ভয়াবহ বর্ণনা দেন।

সাক্ষী জানান, ২০১০ সালের ৩ মার্চ বিডিআর সদস্য নজরুল ইসলাম নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে পত্রিকার পাতায় নজরুলের লাশের ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করা হয়। বর্ণনায় তিনি বলেন, নজরুলের দুই হাত পেছন থেকে বাঁধা ছিল এবং তার পেট চেরা বা ফাড়া অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। সাক্ষী আরও উল্লেখ করেন যে, বিডিআর বিদ্রোহের পর নজরুল নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত ছিলেন এবং প্রাণভয়ে নাম পরিবর্তন করে একটি ক্লিনিকে চাকরি নিয়েছিলেন।

জবানবন্দিতে বলা হয়, সাদা পোশাকধারী কয়েকজন লোক নজরুলকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় নিখোঁজ থাকার পর বলেশ্বর নদী থেকে তার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। ওয়ারিশ না পাওয়ায় পুলিশ তখন আঞ্জুমান মফিদুলের মাধ্যমে লাশটি দাফন করেছিল। জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে এমন একাধিক গুম ও হত্যার অভিযোগের বিচার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।