ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ইউরোপের ৭ দেশে বিকল্প শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার

বাংলাদেশ সরকার ইউরোপের সাতটি দেশে বিকল্প শ্রমবাজার তৈরির লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে। দেশগুলো হলো সার্বিয়া, গ্রিস, নর্থ মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া, পর্তুগাল, ব্রাজিল এবং রাশিয়া।

শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এই তথ্য জানান। বর্তমান সরকারের দুই মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সরকারের ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র জানান, দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির অংশ হিসেবে সরকার বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির পরিমাণ বাড়াতে আগ্রহী। দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির ওপর জোর দিয়ে অভিবাসনের গুণগত মান ও পরিমাণ উভয়ই বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে দেশজুড়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে বহুভাষিক ও দক্ষতা-ভিত্তিক পাঠ্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।

এছাড়াও, উত্তরবঙ্গকে অ্যাগ্রো-প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রির একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশে পে-পাল এবং অন্যান্য পেমেন্ট গেটওয়ে কার্যক্রম চালুর প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য স্বল্প সুদে ঋণের দুয়ার উন্মোচন: এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের ঐতিহাসিক চুক্তি

ইউরোপের ৭ দেশে বিকল্প শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার

আপডেট সময় : ০৫:৪২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ সরকার ইউরোপের সাতটি দেশে বিকল্প শ্রমবাজার তৈরির লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে। দেশগুলো হলো সার্বিয়া, গ্রিস, নর্থ মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া, পর্তুগাল, ব্রাজিল এবং রাশিয়া।

শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এই তথ্য জানান। বর্তমান সরকারের দুই মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সরকারের ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র জানান, দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির অংশ হিসেবে সরকার বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির পরিমাণ বাড়াতে আগ্রহী। দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির ওপর জোর দিয়ে অভিবাসনের গুণগত মান ও পরিমাণ উভয়ই বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে দেশজুড়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে বহুভাষিক ও দক্ষতা-ভিত্তিক পাঠ্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।

এছাড়াও, উত্তরবঙ্গকে অ্যাগ্রো-প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রির একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশে পে-পাল এবং অন্যান্য পেমেন্ট গেটওয়ে কার্যক্রম চালুর প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।