হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নৌ-অবরোধ মোকাবিলায় ইরান তাদের দীর্ঘ স্থল সীমান্তকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এস্কান্দার মোমেনি দাবি করেছেন, ইরানের প্রায় ৮ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বৈচিত্র্যময় সীমান্ত ব্যবস্থা কোনোভাবেই দেশটিকে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করতে দেবে না। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থলপথের বাণিজ্যিক রুটগুলো সচল রেখে মার্কিন চাপ নস্যাৎ করা হবে।
ইরানি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিমধ্যে সীমান্ত সংলগ্ন প্রদেশগুলোর কর্মকর্তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির প্রক্রিয়া সহজ ও ত্বরান্বিত করার বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জানান, সমুদ্রপথে বাধা সৃষ্টি হলেও ইরান তার বিশাল ভৌগোলিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ সচল রাখবে। এই কৌশলের মাধ্যমে মার্কিন অবরোধের নেতিবাচক প্রভাব সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটি।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্ক, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সাথে ইরানের শক্তিশালী স্থল বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে। যদি হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচল ব্যাহত হয়, তবে এই স্থলপথগুলো ব্যবহার করে ইরান বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও মানবিক সংকট এড়াতে সক্ষম হবে। মূলত প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করাই এখন ইরানের মূল কৌশলগত লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 



















