ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

সংসদে ভুল তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ: মানবাধিকার কমিশনের বিদায়ী কমিশনারদের খোলা চিঠি

জাতীয় সংসদে মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন অধ্যাদেশ নিয়ে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদ্যবিদায়ী পাঁচজন কমিশনার। সোমবার এক যৌথ ‘খোলা চিঠি’র মাধ্যমে তাঁরা এই অভিযোগ তুলে ধরেন। কমিশনারদের মতে, গুম প্রতিরোধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো পাস না হওয়ায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

খোলা চিঠিতে বিদায়ী কমিশনারগণ উল্লেখ করেন, সংসদে বলা হয়েছে গুমের সর্বোচ্চ সাজা মাত্র ১০ বছর, যা প্রকৃতপক্ষে সঠিক নয়। গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশে অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া তদন্তের সময়সীমা এবং জরিমানার পদ্ধতি নিয়ে সংসদে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তাও বাস্তবসম্মত নয় বলে তারা দাবি করেন। চিঠিতে জানানো হয়, ২০০৯ সালের মূল আইনে যেসব সীমাবদ্ধতা ছিল, নতুন অধ্যাদেশে সেগুলো দূর করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ভুক্তভোগীদের আইনি জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যেই তারা এই সত্যগুলো জনসমক্ষে আনলেন বলে জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইরানকে দমানোর সক্ষমতা নিয়ে ভুল ধারণা পোষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র’

সংসদে ভুল তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ: মানবাধিকার কমিশনের বিদায়ী কমিশনারদের খোলা চিঠি

আপডেট সময় : ০৩:০৭:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন অধ্যাদেশ নিয়ে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদ্যবিদায়ী পাঁচজন কমিশনার। সোমবার এক যৌথ ‘খোলা চিঠি’র মাধ্যমে তাঁরা এই অভিযোগ তুলে ধরেন। কমিশনারদের মতে, গুম প্রতিরোধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো পাস না হওয়ায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

খোলা চিঠিতে বিদায়ী কমিশনারগণ উল্লেখ করেন, সংসদে বলা হয়েছে গুমের সর্বোচ্চ সাজা মাত্র ১০ বছর, যা প্রকৃতপক্ষে সঠিক নয়। গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশে অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া তদন্তের সময়সীমা এবং জরিমানার পদ্ধতি নিয়ে সংসদে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তাও বাস্তবসম্মত নয় বলে তারা দাবি করেন। চিঠিতে জানানো হয়, ২০০৯ সালের মূল আইনে যেসব সীমাবদ্ধতা ছিল, নতুন অধ্যাদেশে সেগুলো দূর করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ভুক্তভোগীদের আইনি জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যেই তারা এই সত্যগুলো জনসমক্ষে আনলেন বলে জানিয়েছেন।