বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে এআই বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনলেও এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রযুক্তির এই উৎকর্ষতাকে কাজে লাগিয়ে একদল অসাধু চক্র লিপ্ত হচ্ছে ডিজিটাল জালিয়াতি ও সাইবার অপরাধে। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা এই আশঙ্কাকে আরও ঘনীভূত করেছে।
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে জালিয়াতির চেষ্টা কিংবা চট্টগ্রামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ভুয়া ছবি তৈরি করে প্রতারণার ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে, এআই এখন অপরাধীদের নতুন হাতিয়ার। প্রযুক্তির সহজলভ্যতা যেমন সুযোগ তৈরি করছে, তেমনি অসচেতন ব্যবহার এটিকে বড় ঝুঁকিতে পরিণত করছে।
বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চিন্তা ও বিশ্লেষণের ক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, কারণ তারা সৃজনশীল কাজের চেয়ে এআই-এর ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। দীর্ঘ মেয়াদে এটি এমন একটি প্রজন্ম তৈরি করতে পারে, যারা তথ্য জানে কিন্তু তা বিশ্লেষণ করতে পারে না। এই প্রযুক্তির সঠিক ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে সাইবার নিরাপত্তা ও মেধা বিকাশ বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়তে পারে।
রিপোর্টারের নাম 






















