ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালী অবরোধ: ট্রাম্পের সামনে বিকল্প নেই, বলছেন নিকি হ্যালি

জাতিসংঘে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি মন্তব্য করেছেন যে, ইরানের উপর চাপ সৃষ্টির জন্য হরমুজ প্রণালী অবরোধ করার চেষ্টা করা ছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে আর কোনো বিকল্প খোলা নেই। সিএনএন-এর একটি অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। হ্যালি আরও উল্লেখ করেন যে, ইরানকে থামানো না গেলে তাদের হাতে আরও অর্থ আসবে, যা তারা প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়ন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সরঞ্জাম ক্রয় এবং পারমাণবিক কর্মসূচি এগিয়ে নিতে ব্যবহার করবে।

সিএনএন-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী অবরোধের মাধ্যমে ইরান জলপথটির উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ কতটা প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তা পরীক্ষা করার সুযোগ পাবে। এর ফলে মার্কিন বাহিনীকে স্থলপথে ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানোর মতো উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে হবে না, যা হতাহতের কারণ হতে পারে। তবে, এই পদক্ষেপ মার্কিন জাহাজগুলোকে ইরানি হামলার মুখে আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে। এছাড়াও, প্রণালীটি অবরোধ করা হলে চীনের মতো বৃহৎ শক্তিগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সংঘাতের ঝুঁকিও বাড়বে, যদি যুক্তরাষ্ট্র তাদের কোনো জাহাজকে থামাতে চায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলের ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

হরমুজ প্রণালী অবরোধ: ট্রাম্পের সামনে বিকল্প নেই, বলছেন নিকি হ্যালি

আপডেট সময় : ০১:৩১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

জাতিসংঘে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি মন্তব্য করেছেন যে, ইরানের উপর চাপ সৃষ্টির জন্য হরমুজ প্রণালী অবরোধ করার চেষ্টা করা ছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে আর কোনো বিকল্প খোলা নেই। সিএনএন-এর একটি অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। হ্যালি আরও উল্লেখ করেন যে, ইরানকে থামানো না গেলে তাদের হাতে আরও অর্থ আসবে, যা তারা প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়ন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সরঞ্জাম ক্রয় এবং পারমাণবিক কর্মসূচি এগিয়ে নিতে ব্যবহার করবে।

সিএনএন-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী অবরোধের মাধ্যমে ইরান জলপথটির উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ কতটা প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তা পরীক্ষা করার সুযোগ পাবে। এর ফলে মার্কিন বাহিনীকে স্থলপথে ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানোর মতো উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে হবে না, যা হতাহতের কারণ হতে পারে। তবে, এই পদক্ষেপ মার্কিন জাহাজগুলোকে ইরানি হামলার মুখে আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে। এছাড়াও, প্রণালীটি অবরোধ করা হলে চীনের মতো বৃহৎ শক্তিগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সংঘাতের ঝুঁকিও বাড়বে, যদি যুক্তরাষ্ট্র তাদের কোনো জাহাজকে থামাতে চায়।