গাইবান্ধায় অবৈধভাবে গ্যাস মজুত ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে পৃথক দুটি এলপিজি ফিলিং স্টেশনে অভিযান পরিচালনা করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
রোববার বিকেলে পরিচালিত এসব অভিযানে প্রতিষ্ঠান দুটি থেকে মোট ২৫ হাজার লিটার গ্যাস জব্দ করা হয়েছে।
এ সময় একটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং দুই কর্মচারীকে সাত দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জানা যায়, গাইবান্ধা সদর উপজেলার তুলসীঘাট এলাকায় অবস্থিত এম এস ফিলিং স্টেশন (এলপিজি) নামের প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির আহমেদ।
অভিযানে অবৈধভাবে গ্যাস মজুতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের মালিক মনিরুজ্জামানকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মচারী আশরাফুল উদ্দৌলা ও আব্দুর রহিমকে সাত দিন করে কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ১৩ হাজার লিটার গ্যাস জব্দ করা হয়।
অন্যদিকে, একই দিন গাইবান্ধা এলপিজি ফিলিং স্টেশন (ওমেরা অটো গ্যাস) নামের অপর একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেন গাইবান্ধা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুস শাহাদাত ফাহিম। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং সেখান থেকে ১২ হাজার লিটার গ্যাস জব্দ করা হয়।
দুটি পৃথক অভিযানে মোট ২৫ হাজার লিটার গ্যাস জব্দ, ৮০ হাজার টাকা জরিমানা এবং মালিকসহ তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুস শাহাদাত ফাহিম বলেন, ‘প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় নির্ধারিত নিয়ম ও আইন মেনে চলা বাধ্যতামূলক। অনিয়মের বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি রয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
অভিযান প্রসঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘অবৈধভাবে গ্যাস মজুত ও নিয়মবহির্ভূত কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান চলমান রয়েছে। জনস্বার্থ ও ভোক্তাদের নিরাপত্তা বিবেচনায় আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
























