জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) পঞ্চম রাউন্ডের তৃতীয় দিনে দেখা মিলল দুর্দান্ত কিছু ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও জমজমাট দলীয় লড়াইয়ের। কোথাও ব্যাট হাতে দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুললেন ব্যাটাররা, আবার কোথাও দীর্ঘ অপেক্ষা ঘুচিয়ে ফাইফারের স্বাদ পেলেন বোলার। দিনশেষে জয়ের সুবাস পাচ্ছে চট্টগ্রাম, আর রোমাঞ্চকর সমাপ্তির অপেক্ষায় রাজশাহী-রংপুর ও ময়মনসিংহ ম্যাচ।
খুলনার বিপক্ষে নামলেই যেন ব্যাট হাতে চেনা ছন্দে ফেরেন আল আমিন জুনিয়র। গত মৌসুমে এই প্রতিপক্ষের বিপক্ষেই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দীর্ঘ ছয় মৌসুমের সেঞ্চুরি-খरा কাটিয়েছিলেন ময়মনসিংহের এই অলরাউন্ডার। এবারও সেই খুলনা, আর তার ব্যাট থেকে এল ১০২ রানের অনবদ্য এক ইনিংস। যদিও দল ইনিংস পরাজয় এড়াতে পারলেও পুরোপুরি স্বস্তিতে নেই।
ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ময়মনসিংহ। মাত্র ৬২ রানে চার উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন আল আমিন ও আবদুল মজিদ। পঞ্চম উইকেটে তাদের ১১৬ রানের জুটি দলকে বিপদমুক্ত করে। মজিদ ৫৯ রান করে ফিরলেও শেষ পর্যন্ত ১৮৫ বলে ১০২ রান করে মাঠ ছাড়েন আল আমিন। দিনশেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ৩১৫ রান করেছে ময়মনসিংহ, লিড দাঁড়িয়েছে ১৩৫ রানের।
এদিকে বল হাতে নিজের ক্যারিয়ারের স্মরণীয় দিনটি কাটিয়েছেন রাজশাহীর পেসার আসাদুজ্জামান পায়েল। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২০ ম্যাচ খেলার পর অবশেষে ইনিংসে পাঁচ উইকেটের দেখা পেয়েছেন তিনি। বগুড়ায় রংপুরের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৬৪ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট শিকার করেন পায়েল। তার কল্যাণে ২৫৬ রানে থামে রংপুর। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেটে ১১০ রান তুলে দিন শেষ করেছে রাজশাহী। সব মিলিয়ে তাদের লিড এখন ৮৫ রান।
অন্যদিকে চট্টগ্রামে সিলেটের বিপক্ষে জয়ের সুবাস পাচ্ছে স্বাগতিকেরা। দুই ইনিংসেই ২১৮ রানে অলআউট হয়েছে সিলেট। প্রথম ইনিংসে ২১০ রান করা চট্টগ্রামের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ২২৭ রান। লক্ষ্য তাড়ায় তৃতীয় দিন শেষে ১ উইकेটে ১২৬ রান তুলেছে চট্টগ্রাম।

























