মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৮:১০ পূর্বাহ্ন | ৩রা নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১৮ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

ডা. এম এ হাদী ছিলেন চিকিৎসাক্ষেত্রের অনন্য দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

  • হালনাগাদ সময় : ০৩:৩৪:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের চিকিৎসাক্ষেত্রে কোনো দূরদর্শী ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করতে গেলে অধ্যাপক ডা. এম এ হাদীর নাম সর্বাগ্রে উচ্চারিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন নারী ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ডা. হাদী শুধু চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়নেই ভূমিকা রাখেননি, নার্স ও টেকনোলজিস্টসহ পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থার সার্বিক অগ্রগতিতে যুগান্তকারী অবদান রেখেছেন।

অধ্যাপক ডা. এম এ হাদীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) শহীদ ডা. মিলন হলে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু এবং ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি আমাদের সবার দায়বদ্ধতা রয়েছে। সেই দায়িত্ববোধ থেকে বিএমইউতে রেফার হওয়া রোগীদের জন্য বছরে ৩৬৫ দিনই ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতিতে গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণায় আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে কার্যকর প্রণোদনার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। সভায় আলোচকরা অধ্যাপক ডা. এম এ হাদীর কর্মনিষ্ঠা, নিয়মানুবর্তিতা ও রোগীদের প্রতি তাঁর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী বাংলাদেশ

02 November 2026

আগারগাঁও মেট্রো স্টেশনের নিচে ককটেল বিস্ফোরণ

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

ডা. এম এ হাদী ছিলেন চিকিৎসাক্ষেত্রের অনন্য দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

হালনাগাদ সময় : ০৩:৩৪:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের চিকিৎসাক্ষেত্রে কোনো দূরদর্শী ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করতে গেলে অধ্যাপক ডা. এম এ হাদীর নাম সর্বাগ্রে উচ্চারিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন নারী ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ডা. হাদী শুধু চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়নেই ভূমিকা রাখেননি, নার্স ও টেকনোলজিস্টসহ পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থার সার্বিক অগ্রগতিতে যুগান্তকারী অবদান রেখেছেন।

অধ্যাপক ডা. এম এ হাদীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) শহীদ ডা. মিলন হলে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু এবং ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি আমাদের সবার দায়বদ্ধতা রয়েছে। সেই দায়িত্ববোধ থেকে বিএমইউতে রেফার হওয়া রোগীদের জন্য বছরে ৩৬৫ দিনই ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতিতে গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণায় আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে কার্যকর প্রণোদনার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। সভায় আলোচকরা অধ্যাপক ডা. এম এ হাদীর কর্মনিষ্ঠা, নিয়মানুবর্তিতা ও রোগীদের প্রতি তাঁর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

Share this news as a Photo Card