সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ও সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ যে আবেদন করেছিল, তার ওপর শুনানির জন্য সোমবার (১০ নভেম্বর) দিন ধার্য করা হয়েছে।
রবিবার (৯ নভেম্বর) আবেদনটির ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ আদালতের বিচারপতি মো. রেজাউল হক কোনো আদেশ (নো অর্ডার) দেননি এবং শুনানির জন্য এই নতুন দিনটি ঠিক করে দেন। সোমবার আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চে এই শুনানিটি অনুষ্ঠিত হবে।
আদালতে আজ লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না এবং সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন।
অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এই মামলাটি করা হয়েছিল। এই মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ গত বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করে। এরপরই বিষয়টি রবিবারের শুনানির জন্য চেম্বার জজ আদালতে আসে।
এর আগে এই মামলায় ঢাকার মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এবং পরে মহানগর দায়রা জজ আদালতেও তাঁদের জামিন আবেদন নাকচ হয়ে যায়। এরপর তাঁরা হাইকোর্টে আবেদন করলে গত ৬ নভেম্বর দুপুরে হাইকোর্ট দুজনকে জামিন দেন।
শাহবাগ থানায় দায়ের করা এই মামলায় গত ২৯ আগস্ট লতিফ সিদ্দিকীসহ মোট ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন, মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, মঞ্জুরুল আলম পান্না, কাজী এ টি এম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌছিফুল বারী খান, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহাম্মদ আলী ও মো. আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৮ আগস্ট সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে ‘মঞ্চ ৭১’-এর ব্যানারে একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত থেকে লতিফ সিদ্দিকী দেশকে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে অস্থিতিশীল করে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্য দেন এবং অন্যদেরও প্ররোচিত করেন বলে অভিযোগ আনা হয়। ওই বৈঠকে ৭০-৮০ জন উপস্থিত ছিলেন, যাদের মধ্যে ১৬ জনকে পুলিশ আটক করে।
রিপোর্টারের নাম 

























