ঢাকা ০২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

এক মাসেই ১ কোটি ১৭ লাখের বেশি মুসল্লির ওমরাহ পালন, যা নতুন রেকর্ড

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এবং মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর সাধারণ কর্তৃপক্ষের দেওয়া যৌথ পরিসংখ্যানে এই তথ্য উঠে এসেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সৌদি সরকারের উন্নত সেবা, আধুনিক অবকাঠামো এবং ডিজিটাল সুবিধার কারণেই এই সাফল্য এসেছে।

গাল্ফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিপুল সংখ্যক ওমরাহ পালনকারীর মধ্যে ১৫ লাখেরও বেশি মুসল্লি এসেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরেও বলা হচ্ছে, সৌদি সরকার কয়েক বছর ধরেই ওমরাহ ও হজ ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করতে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। বিশেষ করে ডিজিটাল ভিসা, অনলাইন নিবন্ধন, স্মার্ট যাতায়াত ব্যবস্থা এবং নতুন নতুন অবকাঠামো নির্মাণের ফলে ওমরাহ যাত্রায় অংশগ্রহণ আগের চেয়ে কয়েক গুণ বেড়েছে।

সৌদি সরকারের ‘ভিশন ২০৩০’-এর অংশ হিসাবেই এই সেবা বাড়ানো হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হলো, বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের জন্য দুটি পবিত্র মসজিদে পৌঁছানো আরও সহজ করে তোলা এবং তাদের ধর্মীয় অভিজ্ঞতাকে সেরা পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। এই প্রক্রিয়ায় মুসল্লিদের যাত্রা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাদের নিরাপত্তা, আরাম এবং মানসিক প্রশান্তিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ডিজিটাল বিভিন্ন ব্যবস্থা এবং সমন্বিত লজিস্টিক সেবার ফলে ওমরাহ যাত্রা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজ ও আরামদায়ক হয়েছে। বিদেশি মুসল্লিরা খুব সহজেই অনলাইনে আবেদন, বুকিং এবং যাতায়াত সংক্রান্ত সব কাজ সেরে ফেলতে পারছেন, যার ফলে তারা শান্ত পরিবেশে নির্বিঘ্নে ইবাদত করতে পারছেন।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তৈরি পোশাক রপ্তানিতে মন্দা: ঝুঁকির মুখে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান

এক মাসেই ১ কোটি ১৭ লাখের বেশি মুসল্লির ওমরাহ পালন, যা নতুন রেকর্ড

আপডেট সময় : ০৩:০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এবং মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর সাধারণ কর্তৃপক্ষের দেওয়া যৌথ পরিসংখ্যানে এই তথ্য উঠে এসেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সৌদি সরকারের উন্নত সেবা, আধুনিক অবকাঠামো এবং ডিজিটাল সুবিধার কারণেই এই সাফল্য এসেছে।

গাল্ফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিপুল সংখ্যক ওমরাহ পালনকারীর মধ্যে ১৫ লাখেরও বেশি মুসল্লি এসেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরেও বলা হচ্ছে, সৌদি সরকার কয়েক বছর ধরেই ওমরাহ ও হজ ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করতে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। বিশেষ করে ডিজিটাল ভিসা, অনলাইন নিবন্ধন, স্মার্ট যাতায়াত ব্যবস্থা এবং নতুন নতুন অবকাঠামো নির্মাণের ফলে ওমরাহ যাত্রায় অংশগ্রহণ আগের চেয়ে কয়েক গুণ বেড়েছে।

সৌদি সরকারের ‘ভিশন ২০৩০’-এর অংশ হিসাবেই এই সেবা বাড়ানো হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হলো, বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের জন্য দুটি পবিত্র মসজিদে পৌঁছানো আরও সহজ করে তোলা এবং তাদের ধর্মীয় অভিজ্ঞতাকে সেরা পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। এই প্রক্রিয়ায় মুসল্লিদের যাত্রা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাদের নিরাপত্তা, আরাম এবং মানসিক প্রশান্তিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ডিজিটাল বিভিন্ন ব্যবস্থা এবং সমন্বিত লজিস্টিক সেবার ফলে ওমরাহ যাত্রা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজ ও আরামদায়ক হয়েছে। বিদেশি মুসল্লিরা খুব সহজেই অনলাইনে আবেদন, বুকিং এবং যাতায়াত সংক্রান্ত সব কাজ সেরে ফেলতে পারছেন, যার ফলে তারা শান্ত পরিবেশে নির্বিঘ্নে ইবাদত করতে পারছেন।