ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

‘নির্বাচন ডাকাতি’ রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন গ্রহণ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভবিষ্যতের ‘নির্বাচন ডাকাতি’র পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ও সুদূরপ্রসারী ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন। সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের সদস্যরা তাদের সুদীর্ঘ তদন্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করেন।

প্রতিবেদন গ্রহণকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমরা ভোট ডাকাতির কথা শুনেছিলাম, কিছু কিছু জানতাম। কিন্তু এত নির্লজ্জভাবে পুরো প্রক্রিয়াকে বিকৃত করে, সিস্টেমকে দুমড়ে-মুচড়ে ফেলে নিজেদের মনের মতো একটা কাগজে রায় লিখে দেওয়া হয়েছে—এগুলো জাতির সামনে তুলে ধরা দরকার। পুরো রেকর্ড থাকা দরকার।” তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা আর কখনো না ঘটে, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।

ড. ইউনূস বলেন, বিগত নির্বাচনগুলোতে ঘটে যাওয়া অনিয়ম ও কারচুপির প্রকৃত চিত্র জনসমক্ষে তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে জাতি ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে অবগত হতে পারবে এবং ভবিষ্যতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পথ সুগম হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই প্রতিবেদন অতীতের ত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে কলুষমুক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় নির্বাচনের প্রজ্ঞাপনে শাবিপ্রবি শাকসু নির্বাচন স্থগিতের শঙ্কা, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

‘নির্বাচন ডাকাতি’ রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

আপডেট সময় : ০৮:৩৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন গ্রহণ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভবিষ্যতের ‘নির্বাচন ডাকাতি’র পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ও সুদূরপ্রসারী ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন। সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের সদস্যরা তাদের সুদীর্ঘ তদন্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করেন।

প্রতিবেদন গ্রহণকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমরা ভোট ডাকাতির কথা শুনেছিলাম, কিছু কিছু জানতাম। কিন্তু এত নির্লজ্জভাবে পুরো প্রক্রিয়াকে বিকৃত করে, সিস্টেমকে দুমড়ে-মুচড়ে ফেলে নিজেদের মনের মতো একটা কাগজে রায় লিখে দেওয়া হয়েছে—এগুলো জাতির সামনে তুলে ধরা দরকার। পুরো রেকর্ড থাকা দরকার।” তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা আর কখনো না ঘটে, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।

ড. ইউনূস বলেন, বিগত নির্বাচনগুলোতে ঘটে যাওয়া অনিয়ম ও কারচুপির প্রকৃত চিত্র জনসমক্ষে তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে জাতি ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে অবগত হতে পারবে এবং ভবিষ্যতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পথ সুগম হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই প্রতিবেদন অতীতের ত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে কলুষমুক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।