ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাফ বাসে ছাত্রীদের হেনস্তার অভিযোগ, উপ-পরিচালক অভিযুক্ত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) স্টাফ বাসে ক্যাম্পাসে আসার পথে তিন ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়েরই এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত কর্মকর্তা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের উপপরিচালক খন্দকার হাবিবুর রহমান।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন অ্যাকাউন্টিং বিভাগের ১৮ ব্যাচের মারুফ ইসলাম হিমাদ্র, আইইআর বিভাগের ১৮ ব্যাচের মিতু আক্তার এবং দর্শন বিভাগের ১৭ ব্যাচের সামিয়া রহমান। তারা চিটাগাং রোড, কাজলা ও শনির আখড়া থেকে বাসে উঠেছিলেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অনুযায়ী, নিয়মিত শিক্ষার্থী পরিবহন বাসটি ধরতে না পারায় তারা স্টাফ বাসে চড়ে ক্যাম্পাসে আসছিলেন। এ সময় বাসে থাকা কর্মকর্তা খন্দকার হাবিবুর রহমান তাদের আইডি কার্ড দেখতে চান এবং কার্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি শিক্ষার্থীদের স্টাফ বাসে না চড়ে লোকাল বাসে যাতায়াতের কথা বলেন এবং স্টাফ বাসে শিক্ষার্থীদের ওঠা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।

দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী সামিয়া রহমান গণমাধ্যমকে জানান, “আমরা স্টুডেন্ট বাস মিস করেছিলাম, তাই স্টাফ বাসে উঠেছিলাম। উনি আমাকে জিজ্ঞেস করেন আমি কে, এরপর আইডি কার্ড দেখতে চান। কার্ড দেখে বলেন, এর তো কোনো মেয়াদ নেই, এই কার্ড নিয়ে আর কোনোদিন আমাদের বাসে উঠবেন না। আরেক আপুর আইডি কার্ড প্রায় পাঁচ মিনিট নিজের কাছে রেখে দেন।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় নির্বাচনের প্রজ্ঞাপনে শাবিপ্রবি শাকসু নির্বাচন স্থগিতের শঙ্কা, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাফ বাসে ছাত্রীদের হেনস্তার অভিযোগ, উপ-পরিচালক অভিযুক্ত

আপডেট সময় : ০৮:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) স্টাফ বাসে ক্যাম্পাসে আসার পথে তিন ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়েরই এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত কর্মকর্তা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের উপপরিচালক খন্দকার হাবিবুর রহমান।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন অ্যাকাউন্টিং বিভাগের ১৮ ব্যাচের মারুফ ইসলাম হিমাদ্র, আইইআর বিভাগের ১৮ ব্যাচের মিতু আক্তার এবং দর্শন বিভাগের ১৭ ব্যাচের সামিয়া রহমান। তারা চিটাগাং রোড, কাজলা ও শনির আখড়া থেকে বাসে উঠেছিলেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অনুযায়ী, নিয়মিত শিক্ষার্থী পরিবহন বাসটি ধরতে না পারায় তারা স্টাফ বাসে চড়ে ক্যাম্পাসে আসছিলেন। এ সময় বাসে থাকা কর্মকর্তা খন্দকার হাবিবুর রহমান তাদের আইডি কার্ড দেখতে চান এবং কার্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি শিক্ষার্থীদের স্টাফ বাসে না চড়ে লোকাল বাসে যাতায়াতের কথা বলেন এবং স্টাফ বাসে শিক্ষার্থীদের ওঠা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।

দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী সামিয়া রহমান গণমাধ্যমকে জানান, “আমরা স্টুডেন্ট বাস মিস করেছিলাম, তাই স্টাফ বাসে উঠেছিলাম। উনি আমাকে জিজ্ঞেস করেন আমি কে, এরপর আইডি কার্ড দেখতে চান। কার্ড দেখে বলেন, এর তো কোনো মেয়াদ নেই, এই কার্ড নিয়ে আর কোনোদিন আমাদের বাসে উঠবেন না। আরেক আপুর আইডি কার্ড প্রায় পাঁচ মিনিট নিজের কাছে রেখে দেন।”