ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

রংপুরে বিষাক্ত রেকটিফাইড স্পিরিট পানে তিনজনের মৃত্যু, অবৈধ বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ

রংপুরের বদরগঞ্জে বিষাক্ত রেকটিফাইড স্পিরিট পান করে তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের শ্যামপুর বসন্তপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন সোহেল মিয়া (৩০), আলমগীর (৪০) এবং জেন্দার আলী (৩০)। এদের মধ্যে জেন্দার আলী রংপুর সদর এলাকার শ্যামপুর শাহপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্যামপুর বসন্তপুর এলাকার জয়নুল আবেদিন দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে রেকটিফাইড স্পিরিট বিক্রি করে আসছিলেন। গত রোববার (১১ জানুয়ারি) নিহত ওই তিন ব্যক্তি জয়নুলের কাছ থেকে স্পিরিট কিনে পান করেন। এরপর সোমবার সকালে নিজ নিজ বাড়িতে তাদের মৃত্যু হয়।

বসন্তপুর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আওলাদ, মুসাব্বির ও নুরুল হক জানান, জয়নুল আবেদিন বহু আগে থেকেই এই অবৈধ মদের ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। প্রশাসন তাকে কয়েকবার গ্রেপ্তার করে জেলেও পাঠিয়েছিল। কিন্তু এরপরও তার ব্যবসা বন্ধ হয়নি, বরং অভিযোগ রয়েছে যে তিনি পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা আরও বলেন, পুলিশ যদি আগে থেকেই তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিত, তাহলে আজকের এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটতো না। এই ব্যবসায়ীর কারণে অনেক উদীয়মান যুবক বিপথগামী হয়েছে উল্লেখ করে তারা জয়নুলের অবৈধ মদের কারবার স্থায়ীভাবে বন্ধ করে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জাহিদ সরকার জানান, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রংপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিশ্চিত করেছেন যে নিহতদের মধ্যে জেন্দার আলীর বাসা রংপুর সদর শাহপাড়া গ্রামে। তার মরদেহও ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় নির্বাচনের প্রজ্ঞাপনে শাবিপ্রবি শাকসু নির্বাচন স্থগিতের শঙ্কা, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

রংপুরে বিষাক্ত রেকটিফাইড স্পিরিট পানে তিনজনের মৃত্যু, অবৈধ বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

রংপুরের বদরগঞ্জে বিষাক্ত রেকটিফাইড স্পিরিট পান করে তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের শ্যামপুর বসন্তপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন সোহেল মিয়া (৩০), আলমগীর (৪০) এবং জেন্দার আলী (৩০)। এদের মধ্যে জেন্দার আলী রংপুর সদর এলাকার শ্যামপুর শাহপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্যামপুর বসন্তপুর এলাকার জয়নুল আবেদিন দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে রেকটিফাইড স্পিরিট বিক্রি করে আসছিলেন। গত রোববার (১১ জানুয়ারি) নিহত ওই তিন ব্যক্তি জয়নুলের কাছ থেকে স্পিরিট কিনে পান করেন। এরপর সোমবার সকালে নিজ নিজ বাড়িতে তাদের মৃত্যু হয়।

বসন্তপুর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আওলাদ, মুসাব্বির ও নুরুল হক জানান, জয়নুল আবেদিন বহু আগে থেকেই এই অবৈধ মদের ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। প্রশাসন তাকে কয়েকবার গ্রেপ্তার করে জেলেও পাঠিয়েছিল। কিন্তু এরপরও তার ব্যবসা বন্ধ হয়নি, বরং অভিযোগ রয়েছে যে তিনি পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা আরও বলেন, পুলিশ যদি আগে থেকেই তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিত, তাহলে আজকের এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটতো না। এই ব্যবসায়ীর কারণে অনেক উদীয়মান যুবক বিপথগামী হয়েছে উল্লেখ করে তারা জয়নুলের অবৈধ মদের কারবার স্থায়ীভাবে বন্ধ করে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জাহিদ সরকার জানান, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রংপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিশ্চিত করেছেন যে নিহতদের মধ্যে জেন্দার আলীর বাসা রংপুর সদর শাহপাড়া গ্রামে। তার মরদেহও ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।