২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনে সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বইয়ের ঘ্রাণ পেলেও হতাশ হতে হয়েছে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের। বছরের প্রথম দিন গতকাল বৃহস্পতিবার প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের হাতে সব বই তুলে দেওয়া সম্ভব হলেও মাধ্যমিক স্তরের বহু স্কুলে কোনো বই-ই পৌঁছায়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, মাধ্যমিকের প্রায় ৩০ শতাংশ বই এখনো ছাপা বাকি। এই সংকটের কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এবার কোনো কেন্দ্রীয় উৎসবের আয়োজন করা হয়নি এবং শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যাননি।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে মাধ্যমিকের সব বই বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। তবে মুদ্রণ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের সব বিষয়ের বই হাতে পেতে পুরো জানুয়ারি মাস, এমনকি ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। উল্লেখ্য, এ বছর প্রাথমিকে ৯ কোটি এবং মাধ্যমিক ও ইবতেদায়িতে ২১ কোটি বই ছাপানোর লক্ষ্যমাত্রা ছিল। গত নভেম্বরে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবই ছাপার দরপত্র বাতিলের পর নতুন করে কাজ শুরু হওয়ায় এই বিলম্বের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি।
অন্যদিকে, রাজধানীর আবুল বাশার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। তিনি জানান, দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ বই সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে, যা সরকারের একটি বড় অর্জন। একই অনুষ্ঠানে তিনি আরও জানান, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের জন্য শিগগিরই একটি ‘অভিভাবক নির্দেশিকা’ বই প্রকাশ করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 

























