ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন জুমার ফজিলত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

ইসলামে জুমার দিনটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও সওয়াব অর্জনের বিশেষ সময় হিসেবে স্বীকৃত, যার গুরুত্ব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সমতুল্য। মুমিনদের কাছে দিনটি ফজিলতপূর্ণ হওয়ার কারণে মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে এই নামে একটি পূর্ণাঙ্গ সুরা নাজিল করেছেন।

নবী কারিম (সা.) জুমার দিনকে সপ্তাহের সর্বোত্তম দিন হিসেবে ঘোষণা করেছেন, কারণ এই দিনে হযরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছিল, তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছিল এবং জান্নাত থেকে বের করে আনা হয়েছিল; এমনকি কেয়ামতও এই শুক্রবারেই সংঘটিত হবে।

জুমার দিনে রোজা রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে, যেখানে এককভাবে শুধু এই দিনটিকে রোজার জন্য নির্দিষ্ট করা সমীচীন নয়। আলেমদের মতে এবং হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি জুমার দিন রোজা রাখতে চান, তবে তাকে অবশ্যই এর আগে অথবা পরে আরও একটি রোজা যুক্ত করতে হবে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্টভাবে নিষেধ করেছেন যেন কেউ কেবল জুমার দিনকে কেন্দ্র করে রোজা পালন না করে, বরং আগে-পিছে মিলিয়ে রোজা রাখলে তা জায়েজ হবে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

বিপিএল মহারণ: আজ সিলেট-রংপুর, ঢাকা-রাজশাহী; টিভিতে কখন দেখবেন?

সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন জুমার ফজিলত

আপডেট সময় : ১০:৩৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

ইসলামে জুমার দিনটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও সওয়াব অর্জনের বিশেষ সময় হিসেবে স্বীকৃত, যার গুরুত্ব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সমতুল্য। মুমিনদের কাছে দিনটি ফজিলতপূর্ণ হওয়ার কারণে মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে এই নামে একটি পূর্ণাঙ্গ সুরা নাজিল করেছেন।

নবী কারিম (সা.) জুমার দিনকে সপ্তাহের সর্বোত্তম দিন হিসেবে ঘোষণা করেছেন, কারণ এই দিনে হযরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছিল, তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছিল এবং জান্নাত থেকে বের করে আনা হয়েছিল; এমনকি কেয়ামতও এই শুক্রবারেই সংঘটিত হবে।

জুমার দিনে রোজা রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে, যেখানে এককভাবে শুধু এই দিনটিকে রোজার জন্য নির্দিষ্ট করা সমীচীন নয়। আলেমদের মতে এবং হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি জুমার দিন রোজা রাখতে চান, তবে তাকে অবশ্যই এর আগে অথবা পরে আরও একটি রোজা যুক্ত করতে হবে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্টভাবে নিষেধ করেছেন যেন কেউ কেবল জুমার দিনকে কেন্দ্র করে রোজা পালন না করে, বরং আগে-পিছে মিলিয়ে রোজা রাখলে তা জায়েজ হবে।