জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত কর্তৃক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশকে ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা শশী থারুর “খুবই উদ্বেগজনক ঘটনা” বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তিনি দেশের ভেতরে বা বাইরে কোথাও মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে নন এবং এই রায় তাকে বিশেষভাবে মর্মাহত করেছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জুলাই গণহত্যার দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের পাশাপাশি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একই মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, শেখ হাসিনা ও কামালের দেশের সকল সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা জুলাইয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এই মৃত্যুদণ্ডাদেশ ভারতকে জটিল পরিস্থিতিতে ফেলেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে যাওয়ার পর হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে দুইবার প্রত্যর্পণ অনুরোধ ইস্যু করেছে, যদিও ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে অপরাধীদের প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। ক্ষমতায় থাকাকালীন শেখ হাসিনা ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখায় ভারতের রাজনৈতিক দলগুলো তাকে ফেরত না পাঠাতে একমত। বিবিসি বলেছে, ভারত এখন বেকায়দায় থাকবে, কারণ তারা হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে অস্বীকৃতি জানালে বাংলাদেশ এটিকে কূটনৈতিক অবজ্ঞা হিসেবে গণ্য করবে, যা দুই দেশের সম্পর্ক আরও খারাপ করবে।
রিপোর্টারের নাম 

























