কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার গোপগ্রাম ইউনিয়নে কবরস্থানের উন্নয়নকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সাতপাখিয়া-বড়ইচারা কবরস্থানে মাটি ভরাটের কাজকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাতপাখিয়া এবং বড়ইচারা গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে যৌথভাবে ওই কবরস্থানটি ব্যবহার করে আসছে। সম্প্রতি কবরস্থানের নিচু জায়গা ভরাট করে উন্নয়ন কাজ শুরু করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। শুক্রবার সকালে সাতপাখিয়া গ্রামের কিছু লোক কবরস্থানের নিচু অংশে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করলে বড়ইচারা গ্রামের প্রায় ১০০ থেকে ২০০ জন গ্রামবাসী লাঠিসোঁটা ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হন। আহতদের খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত দুজনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বড়ইচারা গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, প্রায় একশ বছর ধরে উভয় গ্রামের মানুষ ওই কবরস্থানে দাফন করে আসছেন। সম্প্রতি সাতপাখিয়া গ্রামের কিছু লোক গোপনে কবরস্থানের গাছ বিক্রি করায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়, যা এই সংঘর্ষের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























