প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংবাদপত্রের সম্পাদকদের প্রতি সরকারের গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি ভালো কাজের প্রশংসার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে মানুষ সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগগুলো সম্পর্কে জানতে পারে। ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতাদের সঙ্গে আজ সোমবার দুপুরে এক বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের আহ্বায়ক ও যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান এবং যুগ্ম আহ্বায়ক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এই বৈঠকে অংশ নেয়। প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন নয়াদিগন্ত সম্পাদক সালাহ উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, যুগান্তর সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার, প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম ও মানবকণ্ঠ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম।
সম্পাদকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্রাটেজি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সম্পাদকরা সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের যেন গ্রেপ্তার করা না হয় সেই আহ্বান জানান। তারা বলেন, সংবাদ প্রকাশে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে আদালতের সমন জারি ছাড়া পুলিশ যেন সংবাদ প্রকাশের কারণে কাউকে গ্রেপ্তার না করে। তবে ফৌজদারি অপরাধের বিচার প্রচলিত আইনে হতে পারে বলে তারা উল্লেখ করেন। সম্পাদকরা মিডিয়া কমিশনের কাজ দ্রুত শেষ করার ওপর জোর দেন এবং একই সাথে প্রেস কাউন্সিলকে পুনরুজ্জীবিত করে শক্তিশালী করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এছাড়াও, দৈনিক বাংলা, বাংলাদেশ টাইমস, সাপ্তাহিক বিচিত্রাসহ প্রেসট্রাস্টের গণমাধ্যমগুলো আবার চালু করার দাবি জানান সম্পাদকরা, যাতে সাংবাদিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
প্রধানমন্ত্রী ও সম্পাদকদের মধ্যে এই খোলামেলা আলোচনা দেশের গণমাধ্যম ও সরকারের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 




















