ঢাকা ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

ইসরাইলের দাবি: ইরানের হামলায় ২৪ নিহত, ৭ হাজার আহত

ইসরাইলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইরান কর্তৃক নিক্ষিপ্ত প্রায় ৬৫০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দেশটিতে ২৪ জন নিহত এবং ৭ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছে। এই তথ্য ‘টাইমস অব ইসরাইল’ সূত্রে জানা গেছে। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ইরানের নিক্ষিপ্ত অর্ধেকেরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড ছিল, যার ফলে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ছোট ছোট বোমা ছড়িয়ে পড়ে।

ইসরাইলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলে ২০ জন বেসামরিক ও বিদেশি নাগরিক এবং পশ্চিম তীরে চারজন ফিলিস্তিনি নিহত হন। এছাড়া, ৭ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

যুদ্ধের প্রথম দিনে ইরান ইসরাইলের দিকে প্রায় ৮০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। পরদিন প্রায় ৬০টি এবং তৃতীয় দিনে প্রায় ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে এবং যুদ্ধের শেষ দিন পর্যন্ত ইরান প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। সব মিলিয়ে, ওয়ারহেডযুক্ত অন্তত ১৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের জনবহুল এলাকায় আঘাত হানে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়। এছাড়া, ক্লাস্টার বোমা বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র জনবহুল এলাকায় আঘাত হানার ফলে আরও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপির দায়ে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আদালতের রায়ের পর তৃণমূল নেতাকর্মীদের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

ইসরাইলের দাবি: ইরানের হামলায় ২৪ নিহত, ৭ হাজার আহত

আপডেট সময় : ০৩:৩২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

ইসরাইলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইরান কর্তৃক নিক্ষিপ্ত প্রায় ৬৫০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দেশটিতে ২৪ জন নিহত এবং ৭ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছে। এই তথ্য ‘টাইমস অব ইসরাইল’ সূত্রে জানা গেছে। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ইরানের নিক্ষিপ্ত অর্ধেকেরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড ছিল, যার ফলে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ছোট ছোট বোমা ছড়িয়ে পড়ে।

ইসরাইলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলে ২০ জন বেসামরিক ও বিদেশি নাগরিক এবং পশ্চিম তীরে চারজন ফিলিস্তিনি নিহত হন। এছাড়া, ৭ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

যুদ্ধের প্রথম দিনে ইরান ইসরাইলের দিকে প্রায় ৮০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। পরদিন প্রায় ৬০টি এবং তৃতীয় দিনে প্রায় ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে এবং যুদ্ধের শেষ দিন পর্যন্ত ইরান প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। সব মিলিয়ে, ওয়ারহেডযুক্ত অন্তত ১৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের জনবহুল এলাকায় আঘাত হানে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়। এছাড়া, ক্লাস্টার বোমা বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র জনবহুল এলাকায় আঘাত হানার ফলে আরও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়।