ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো অকার্যকর হয়ে পড়েছে: প্রতিবেদন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অন্তত এক ডজন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির মাত্রা এতটাই বেশি যে এগুলো এখন মার্কিন বাহিনীর জন্য উপকারের চেয়ে বরং ঝুঁকি তৈরি করছে। গত মাসে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের হামলায় ঘাঁটিগুলো ‘প্রায় বসবাসের অযোগ্য’ হয়ে পড়েছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এখনো পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্বীকার করেনি।

জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির ‘প্রজেক্ট অন মিডল ইস্ট পলিটিক্যাল সায়েন্স’-এর পরিচালক মার্ক লিঞ্চ এক সম্মেলনে বলেন, ‘ঘাঁটিগুলো মার্কিন আধিপত্যের ভৌত স্থাপত্য। ইরান এক মাসের মধ্যে এটিকে কার্যত অকেজো করে দিয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তার কোনো পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক প্রতিবেদন আমরা দেখতে পাচ্ছি না।’

বাহরাইন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার এবং ওমানে অবস্থিত এসব মার্কিন ঘাঁটিতে প্রবেশাধিকার পেন্টাগন এবং উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো নিজেরাই কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে। গত মাসে এসব দেশের আকাশসীমায় ক্ষেপণাস্ত্রের কোনো ছবি বা ভিডিও ধারণ ও প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানে হামলার জন্য ব্যবহৃত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই গোপনীয়তা বজায় রাখা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরাইলি ট্যাংক ও সামরিক স্থাপনায় হিজবুল্লাহর জোরালো হামলা

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো অকার্যকর হয়ে পড়েছে: প্রতিবেদন

আপডেট সময় : ০২:২৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অন্তত এক ডজন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির মাত্রা এতটাই বেশি যে এগুলো এখন মার্কিন বাহিনীর জন্য উপকারের চেয়ে বরং ঝুঁকি তৈরি করছে। গত মাসে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের হামলায় ঘাঁটিগুলো ‘প্রায় বসবাসের অযোগ্য’ হয়ে পড়েছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এখনো পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্বীকার করেনি।

জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির ‘প্রজেক্ট অন মিডল ইস্ট পলিটিক্যাল সায়েন্স’-এর পরিচালক মার্ক লিঞ্চ এক সম্মেলনে বলেন, ‘ঘাঁটিগুলো মার্কিন আধিপত্যের ভৌত স্থাপত্য। ইরান এক মাসের মধ্যে এটিকে কার্যত অকেজো করে দিয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তার কোনো পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক প্রতিবেদন আমরা দেখতে পাচ্ছি না।’

বাহরাইন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার এবং ওমানে অবস্থিত এসব মার্কিন ঘাঁটিতে প্রবেশাধিকার পেন্টাগন এবং উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো নিজেরাই কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে। গত মাসে এসব দেশের আকাশসীমায় ক্ষেপণাস্ত্রের কোনো ছবি বা ভিডিও ধারণ ও প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানে হামলার জন্য ব্যবহৃত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই গোপনীয়তা বজায় রাখা হচ্ছে।