শেরপুর-৩ এবং বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদে তীব্র সমালোচনা করেছে বিরোধী দল। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের বিশ্বাস নষ্ট হয়ে গেলে সরকারের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়বে। অন্যদিকে, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বিরোধী দলগুলোকে ভোট বর্জনের পুরনো রেওয়াজ থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিল সংক্রান্ত আলোচনায় জামায়াত ও এনসিপির তিনজন সংসদ সদস্য এই সমালোচনা করেন। এদিন বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনের স্থগিত হওয়া নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে, অনিয়মের অভিযোগ তুলে জামায়াতের দুই প্রার্থী নির্বাচন বয়কট করেন।
জামায়াতের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান বলেন, আজকের উপনির্বাচনে মানুষের মধ্যে ১৯৯৪ সালের মাগুরা উপনির্বাচনের তিক্ত অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি দেখা গেছে। তিনি বলেন, ‘যদি এই ধারা চলতে থাকে, তবে মানুষের বিশ্বাসের জায়গা কোথায় থাকবে? বিশ্বাসের জায়গা নষ্ট হয়ে গেলে সরকারের ভিত নড়ে উঠবে।’
এনসিপির সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ অভিযোগ করেন যে, উপনির্বাচনে বিরোধী দলীয় এজেন্টদের ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে, আহত করা হয়েছে এবং ছোট বাচ্চাদের লাইনে দাঁড় করিয়ে ভোট দেওয়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে দেশকে আরেকবার সংকটে ফেলা হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ট্রেজারি বেঞ্চের নেতারা বারবার দেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তাঁরা ব্যর্থ হয়েছেন, আওয়ামী লীগের মতো সফল হতে পারেননি।’
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা বিকাল ৪টার পর ভোট কারচুপির অভিযোগ এনেছেন, যখন তাদের পরাজয় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, ‘যখন আপনারা নিশ্চিত হয়েছেন আপনাদের পরাজয় নিশ্চিত, তারপরে আপনারা সংবাদ সম্মেলন করে ভোট আপনার বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।’ তিনি গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার স্বার্থে নির্বাচন বর্জনের পুরনো রেওয়াজ থেকে সরে আসার জন্য বন্ধুদের প্রতি আহ্বান জানান।
রিপোর্টারের নাম 























