ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

দুই উপনির্বাচনে ভোট কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ জামায়াতের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, আজ (বৃহস্পতিবার) বগুড়া ও শেরপুর দুটি আসনে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে ভোট কারচুপি, জালভোট, এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং সকাল সকালই ভোট গণনার কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার মতো অনেক আপত্তিকর ঘটনা ঘটছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয়ভাবে এসব ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গোলাম পরওয়ার এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শেরপুর শ্রীবরদীতে তাদের প্রার্থী ইন্তিকাল করেছেন। তার আগে শ্রীবরদী উপজেলার সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। সেখানে তাদের প্রার্থী সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান মাসুদ। আর বগুড়াতে তাদের প্রার্থী হলেন বগুড়া শহরের আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জনাব আবিদুর রহমান সোহেল।

তিনি আরও জানান, বিগত ৪, ৫ ও ৬ তারিখ তিনি নিজে সফর করে তথ্য সংগ্রহ করেছেন এবং উদ্বেগের বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন। তিনি শুনেছেন যে নেতা-কর্মীদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে এবং কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এই সফরে তিনি এমন আলামত দেখতে পেয়েছেন।

বগুড়ায় নির্বাচনে অনিয়মের বিষয়ে তিনি কয়েকটি তথ্য তুলে ধরেন। একটি হলো, বিভিন্ন কেন্দ্রে এজেন্টদের কাছ থেকে সকালবেলাতেই প্রিজাইডিং অফিসার জোর করে রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছেন, যা নির্বাচনের আচরণবিধির পরিপন্থী। নিয়ম অনুযায়ী, ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর ফলাফল তৈরি হলে প্রার্থীরা স্বাক্ষর করবেন। মালতিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র নম্বর-১-এ এমন ঘটনা ঘটেছে, যেখানে এজেন্টদের কাছ থেকে সকালেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে এবং প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষরের জায়গাটি ফাঁকা রয়েছে। এরপর জালভোট দিয়ে সিল মারা হচ্ছে এবং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হচ্ছে।

গোলাম পরওয়ার আরও জানান, দুপুর ১২টা পর্যন্ত শেরপুর নির্বাচনী এলাকার ১৩টি ভোট কেন্দ্র থেকে জোরপূর্বক এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে এবং জালভোট দেওয়া হয়েছে। ইসলামিয়া কামিল মাদরাসায়ও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধে মার্কিনদের সমর্থন হ্রাস: ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাও তলানিতে

দুই উপনির্বাচনে ভোট কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ জামায়াতের

আপডেট সময় : ০৫:১৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, আজ (বৃহস্পতিবার) বগুড়া ও শেরপুর দুটি আসনে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে ভোট কারচুপি, জালভোট, এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং সকাল সকালই ভোট গণনার কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার মতো অনেক আপত্তিকর ঘটনা ঘটছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয়ভাবে এসব ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গোলাম পরওয়ার এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শেরপুর শ্রীবরদীতে তাদের প্রার্থী ইন্তিকাল করেছেন। তার আগে শ্রীবরদী উপজেলার সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। সেখানে তাদের প্রার্থী সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান মাসুদ। আর বগুড়াতে তাদের প্রার্থী হলেন বগুড়া শহরের আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জনাব আবিদুর রহমান সোহেল।

তিনি আরও জানান, বিগত ৪, ৫ ও ৬ তারিখ তিনি নিজে সফর করে তথ্য সংগ্রহ করেছেন এবং উদ্বেগের বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন। তিনি শুনেছেন যে নেতা-কর্মীদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে এবং কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এই সফরে তিনি এমন আলামত দেখতে পেয়েছেন।

বগুড়ায় নির্বাচনে অনিয়মের বিষয়ে তিনি কয়েকটি তথ্য তুলে ধরেন। একটি হলো, বিভিন্ন কেন্দ্রে এজেন্টদের কাছ থেকে সকালবেলাতেই প্রিজাইডিং অফিসার জোর করে রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছেন, যা নির্বাচনের আচরণবিধির পরিপন্থী। নিয়ম অনুযায়ী, ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর ফলাফল তৈরি হলে প্রার্থীরা স্বাক্ষর করবেন। মালতিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র নম্বর-১-এ এমন ঘটনা ঘটেছে, যেখানে এজেন্টদের কাছ থেকে সকালেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে এবং প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষরের জায়গাটি ফাঁকা রয়েছে। এরপর জালভোট দিয়ে সিল মারা হচ্ছে এবং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হচ্ছে।

গোলাম পরওয়ার আরও জানান, দুপুর ১২টা পর্যন্ত শেরপুর নির্বাচনী এলাকার ১৩টি ভোট কেন্দ্র থেকে জোরপূর্বক এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে এবং জালভোট দেওয়া হয়েছে। ইসলামিয়া কামিল মাদরাসায়ও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে।