দীর্ঘ ৪১ দিনের রক্তক্ষয়ী ও অসম লড়াইয়ের পর অবশেষে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অটল থেকে তেহরান এই লড়াইকে তাদের ‘নৈতিক বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছে। সামরিক শক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এগিয়ে থাকলেও ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির প্রক্রিয়ায় প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া আলটিমেটামের শেষ মুহূর্তে দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় উভয় পক্ষ। যদিও দুই দেশই নিজেদের বিজয়ী দাবি করছে, তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার যে লক্ষ্য ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের ছিল, তা অর্জিত হয়নি। বরং তেহরানের দেওয়া শর্ত মেনেই যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ইরানের সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে বিজয়োল্লাস শুরু করেন। পাকিস্তানের কূটনৈতিক তৎপরতায় সৌদি আরব, মিসর ও তুরস্কের সমর্থন ছিল বলে জানা গেছে। এই সমঝোতার ফলে আপাতত হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















