ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

দেশের অধস্তন আদালতে মামলার পাহাড়: বিচারাধীন ৪০ লাখের বেশি মামলা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

দেশের নিম্ন আদালতগুলোতে মামলার জট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে অধস্তন আদালতগুলোতে ৪০ লাখ ৪১ হাজার ৯২৪টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে এক সদস্যের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে এই প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

আইনমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার মামলার জট নিরসন ও বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমাতে বদ্ধপরিকর। এই লক্ষ্য অর্জনে ইতোমধ্যে ৮৭১টি নতুন আদালত এবং ২৩২টি বিচারকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৩০৪টি বিচারকের পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগের কাজ চলছে। বিচার বিভাগের শূন্য পদগুলোতে কর্মচারী নিয়োগের সুপারিশও করা হয়েছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, অতীতে বিচারকদের বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে দলীয় আনুগত্যকে প্রাধান্য দেওয়া হতো। তবে বর্তমান সরকার সততা ও দক্ষতাকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে সুপ্রিম কোর্টের সুপারিশ অনুযায়ী কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিচারকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোরশা উপজেলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি রাশেদ, সম্পাদক শহিদুল

দেশের অধস্তন আদালতে মামলার পাহাড়: বিচারাধীন ৪০ লাখের বেশি মামলা

আপডেট সময় : ০২:২১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

দেশের নিম্ন আদালতগুলোতে মামলার জট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে অধস্তন আদালতগুলোতে ৪০ লাখ ৪১ হাজার ৯২৪টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে এক সদস্যের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে এই প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

আইনমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার মামলার জট নিরসন ও বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমাতে বদ্ধপরিকর। এই লক্ষ্য অর্জনে ইতোমধ্যে ৮৭১টি নতুন আদালত এবং ২৩২টি বিচারকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৩০৪টি বিচারকের পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগের কাজ চলছে। বিচার বিভাগের শূন্য পদগুলোতে কর্মচারী নিয়োগের সুপারিশও করা হয়েছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, অতীতে বিচারকদের বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে দলীয় আনুগত্যকে প্রাধান্য দেওয়া হতো। তবে বর্তমান সরকার সততা ও দক্ষতাকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে সুপ্রিম কোর্টের সুপারিশ অনুযায়ী কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিচারকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।