ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ৮৫০ করার পরিকল্পনা মোদি সরকারের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ভারতের সংসদীয় ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রস্তাবিত নতুন বিল অনুযায়ী, দেশটির নিম্নকক্ষ লোকসভার আসন সংখ্যা বর্তমান ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ভারতের লোকসভা হবে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নিম্নকক্ষ। এই সাংবিধানিক সংশোধনীর আওতায় সংসদের এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদি এই উদ্যোগের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছেন, আইনসভায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়লে গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে। নারী অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচকদের মতে, আসন পুনর্নির্ধারণের এই কৌশলে উত্তর ভারতের জনবহুল রাজ্যগুলোতে ক্ষমতাসীন বিজেপি রাজনৈতিকভাবে বেশি লাভবান হতে পারে।

বিপরীতে, দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোতে আসন সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকার আশঙ্কায় সেখানে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে বলেছেন, ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট হলে দক্ষিণের রাজ্যগুলো এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবে। এই সংশোধনী পাস করতে হলে মোদি সরকারের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন হবে, যা নিয়ে বর্তমানে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোরশা উপজেলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি রাশেদ, সম্পাদক শহিদুল

ভারতের লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ৮৫০ করার পরিকল্পনা মোদি সরকারের

আপডেট সময় : ০২:২১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের সংসদীয় ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রস্তাবিত নতুন বিল অনুযায়ী, দেশটির নিম্নকক্ষ লোকসভার আসন সংখ্যা বর্তমান ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ভারতের লোকসভা হবে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নিম্নকক্ষ। এই সাংবিধানিক সংশোধনীর আওতায় সংসদের এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদি এই উদ্যোগের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছেন, আইনসভায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়লে গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে। নারী অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচকদের মতে, আসন পুনর্নির্ধারণের এই কৌশলে উত্তর ভারতের জনবহুল রাজ্যগুলোতে ক্ষমতাসীন বিজেপি রাজনৈতিকভাবে বেশি লাভবান হতে পারে।

বিপরীতে, দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোতে আসন সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকার আশঙ্কায় সেখানে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে বলেছেন, ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট হলে দক্ষিণের রাজ্যগুলো এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবে। এই সংশোধনী পাস করতে হলে মোদি সরকারের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন হবে, যা নিয়ে বর্তমানে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।