সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের পর তাকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য বেরিয়ে আসছে। ডিবি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি মোট চারবার বাসা পরিবর্তন করেছিলেন। সবশেষ ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে শিরীন শারমিন জানান, ৫ আগস্টের পর তিনি প্রথমে সেনা হেফাজতে আশ্রয় নেন এবং পরে সেখান থেকে বের হয়ে বিভিন্ন আত্মীয়র বাসায় আত্মগোপন করেন। আত্মগোপনে থাকাকালীন তিনি আওয়ামী লীগের কয়েকজন মধ্যম সারির নেতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। তবে শেখ হাসিনাবিহীন ‘রিফর্মড’ আওয়ামী লীগ গঠনের প্রক্রিয়ায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা তিনি অস্বীকার করেছেন।
সাবেক এই স্পিকার আরও দাবি করেন, বিদেশে পালিয়ে যাওয়া কয়েকজন সাবেক মন্ত্রীর সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল এবং তারা তাকে নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণে প্ররোচনা দিয়েছিলেন। বর্তমানে আদালত তার রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা তার দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করছেন।
রিপোর্টারের নাম 






















