ঢাকা ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের সফল অভিযান, ৬১ ডাকাত গ্রেফতার

ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে গত দেড় বছরে ৬১ জন ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া উইং থেকে জানানো হয়, জেলে ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন সংলগ্ন এলাকায় নিয়মিত যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অভিযানে সুন্দরবনের কুখ্যাত করিম-শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন ও আসাবুর বাহিনীর মতো সক্রিয় ডাকাত দলগুলোকে নির্মূল করা হয়েছে। কোস্ট গার্ডের তথ্যমতে, এসব অভিযানে এখন পর্যন্ত ৮০টি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ তাজা গোলা এবং প্রায় দুই হাজার রাউন্ড এয়ারগানের গুলি জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া দস্যুদের কবল থেকে ৭৮ জন জেলে ও ৩ জন পর্যটককে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানায়, সুন্দরবনের নদী ও খালে নজরদারি বাড়াতে সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ডাকাতদের বেশ কিছু গোপন আস্তানা শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে। বননির্ভর মানুষের নিরাপত্তা এবং বন্যপ্রাণী রক্ষায় এই ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে এমইপি গ্রুপ, কর্মসংস্থান হবে ২ হাজার মানুষের

সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের সফল অভিযান, ৬১ ডাকাত গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৮:২৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে গত দেড় বছরে ৬১ জন ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া উইং থেকে জানানো হয়, জেলে ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন সংলগ্ন এলাকায় নিয়মিত যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অভিযানে সুন্দরবনের কুখ্যাত করিম-শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন ও আসাবুর বাহিনীর মতো সক্রিয় ডাকাত দলগুলোকে নির্মূল করা হয়েছে। কোস্ট গার্ডের তথ্যমতে, এসব অভিযানে এখন পর্যন্ত ৮০টি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ তাজা গোলা এবং প্রায় দুই হাজার রাউন্ড এয়ারগানের গুলি জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া দস্যুদের কবল থেকে ৭৮ জন জেলে ও ৩ জন পর্যটককে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানায়, সুন্দরবনের নদী ও খালে নজরদারি বাড়াতে সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ডাকাতদের বেশ কিছু গোপন আস্তানা শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে। বননির্ভর মানুষের নিরাপত্তা এবং বন্যপ্রাণী রক্ষায় এই ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।