আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ এবং বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার হুমকির পর তার বক্তব্যে যুদ্ধাপরাধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে, এসব অভিযোগ নিয়ে তিনি “একদমই চিন্তিত নন” বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন।
সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয় যে, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু, তেল স্থাপনা কিংবা পানি পরিশোধন কেন্দ্রের মতো বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে কিনা। জবাবে তিনি বলেন, “আমি এটা নিয়ে চিন্তিত নই।” তিনি আরও যুক্তি দেন, “আসল যুদ্ধাপরাধ হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া।”
এর আগে ট্রাম্প সতর্ক করেছিলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে সম্মত না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু, তেলকূপসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালাতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব স্থাপনায় হামলা সরাসরি বেসামরিক জনগণের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, যা আন্তর্জাতিক আইনে গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত।
বেসামরিক জনগণের দুর্ভোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, “স্বাধীনতা পাওয়ার জন্য তারা এই দুর্ভোগ সহ্য করতে ইচ্ছুক হবে।” তার এই মন্তব্য মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ট্রাম্পের বক্তব্যে নিজ দেশেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান ইয়াসামিন আনসারি অভিযোগ করেছেন, ট্রাম্প একটি “অবৈধ যুদ্ধ” উসকে দিচ্ছেন এবং যুদ্ধাপরাধের হুমকি দিচ্ছেন। তিনি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসনের প্রস্তাব আনার কথাও জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার বলেন, “তিনি সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের হুমকি দিচ্ছেন এবং মিত্রদের বিচ্ছিন্ন করছেন।” সিনেটর ক্রিস মারফি ট্রাম্পের বক্তব্যকে “সম্পূর্ণ ভারসাম্যহীন” বলে অভিহিত করেছেন। এমনকি ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত মার্জোরি টেইলর গ্রিনও তার বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, এই ধরনের হুমকি ইরানের সাধারণ মানুষের ক্ষতি করবে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দপ্তর থেকেও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। তার মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা নিষিদ্ধ, বিশেষ করে যদি এতে অতিরিক্ত বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি থাকে। হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, ইরানের সঙ্গে…
রিপোর্টারের নাম 

























