ঢাকা ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায় করবে যুক্তরাষ্ট্র, ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে ইরানকে কোনোভাবেই টোল আদায় করতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। উল্টো প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রই এই প্রণালি থেকে টোল আদায় করবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ওই অঞ্চলে মার্কিন প্রভাব ও সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব থাকায় টোল নেওয়ার অধিকার কেবল তাদেরই রয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এমন ঘোষণা কার্যকর করতে হলে ওই অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন হতে পারে।

ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগের মাত্রা আরও বাড়িয়ে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো গ্রহণযোগ্য চুক্তিতে না পৌঁছালে ইরানকে বড় ধরনের বিপর্য্যের মুখোমুখি হতে হবে। সোমবার এক বক্তব্যে তিনি জানান, ওয়াশিংটন সময় মঙ্গলবার রাত ৮টার মধ্যে তেহরানকে চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যথায় দেশটিকে ‘এক রাতেই ধ্বংস’ করে দেওয়ার প্রচ্ছন্ন হুমকি দেন তিনি।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর অবস্থান ও আলটিমেটামকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা কোনো ধরনের সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয়। স্থায়ীভাবে হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধের ফলে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত না করা পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে সই করবে না দেশটি। এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ইরান আলোচনার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু তেহরানের তাৎক্ষণিক প্রত্যাখ্যান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ বার নির্বাচনে ১১ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায় করবে যুক্তরাষ্ট্র, ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে ইরানকে কোনোভাবেই টোল আদায় করতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। উল্টো প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রই এই প্রণালি থেকে টোল আদায় করবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ওই অঞ্চলে মার্কিন প্রভাব ও সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব থাকায় টোল নেওয়ার অধিকার কেবল তাদেরই রয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এমন ঘোষণা কার্যকর করতে হলে ওই অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন হতে পারে।

ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগের মাত্রা আরও বাড়িয়ে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো গ্রহণযোগ্য চুক্তিতে না পৌঁছালে ইরানকে বড় ধরনের বিপর্য্যের মুখোমুখি হতে হবে। সোমবার এক বক্তব্যে তিনি জানান, ওয়াশিংটন সময় মঙ্গলবার রাত ৮টার মধ্যে তেহরানকে চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যথায় দেশটিকে ‘এক রাতেই ধ্বংস’ করে দেওয়ার প্রচ্ছন্ন হুমকি দেন তিনি।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর অবস্থান ও আলটিমেটামকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা কোনো ধরনের সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয়। স্থায়ীভাবে হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধের ফলে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত না করা পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে সই করবে না দেশটি। এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ইরান আলোচনার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু তেহরানের তাৎক্ষণিক প্রত্যাখ্যান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।