‘যে যায় লঙ্কায়, সেই হয় রাবণ’—এই প্রবাদটি ক্ষমতার দম্ভ বা লোভের বশবর্তী হয়ে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও নৈতিক দৃঢ়তা হারানোর চিত্র তুলে ধরে। ক্ষমতার অপব্যবহারের ক্ষেত্রে এই প্রবাদটি অধিক প্রযোজ্য, যেখানে ক্ষমতার কেন্দ্রে পৌঁছে মানুষ ন্যায়নীতি ভুলে যায় এবং অহংকারী হয়ে ওঠে। রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক প্রেক্ষাপটে যখনই কোনো নতুন দল বা ব্যক্তি ক্ষমতায় যায়, তারা আগের শাসকদের মতোই অন্যায় করতে শুরু করে এবং নির্বাচকদের আবেগ-অনুভূতিকে উপেক্ষা করে।
নতুন যুগের ‘রাবণ’রাও প্রায়শই নায়কের বেশ ধরে খলনায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। তৃতীয় বিশ্বে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়, যেখানে ক্ষমতাসীনরা সাধারণ মানুষকে বোকা ভাবে। কিন্তু আধুনিক রাষ্ট্র ও সমাজে নাগরিকরা যে অতটা বোকা নয়, তা তারা বুঝতে অক্ষম।
এই নিবন্ধের মূল বিষয়বস্তু হলো জাতি হিসেবে আমাদের প্রতারিত ও প্রবঞ্চিত হওয়ার নিয়তি। একটি রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের কুড়ি মাস না যেতেই কেন হতাশার কালোছায়া আমাদের পিছু নেবে? তীব্র আকাঙ্ক্ষা ও আরাধনার ফল একটি নির্বাচিত সরকার এবং জাতীয় সংসদ। সেই সরকার জনতুষ্টিমূলক অনেক পদক্ষেপ নিয়ে এরই মধ্যে প্রশংসাও কুড়িয়েছে। সরকারপ্রধান তারেক রহমানকে ভালো কিছু করার চেষ্টা করতে দেখা যাচ্ছে, তিনি দিন-রাত পরিশ্রম করছেন।
কিন্তু অপ্রিয় বাস্তবতা হলো, সাময়িক জনতুষ্টিমূলক পদক্ষেপ মানুষকে পুরোপুরি স্বস্তি দেয় না, তুষ্টও করে না। এর প্রমাণ অতীতেও দেখা গেছে। টেকসই গণতন্ত্র ও সুশাসনের জন্যই এ দেশের মানুষ বারবার রক্ত দেয়। কিন্তু তা অধরা থেকে গেলে হতাশা ঘিরে ধরে, ক্ষোভ দানা বাঁধে এবং একসময় সুযোগ বুঝে বিস্ফোরণ ঘটে।
দেড় সহস্রাধিক জীবন ও অপরিমেয় রক্তের বিনিময়ে প্রায় দু-দশক পর যে নির্বাচিত গণতা… (বাকী অংশ অসম্পূর্ণ)
রিপোর্টারের নাম 
























