ইসরাইলের সম্প্রতি পাস করা বিতর্কিত মৃত্যুদণ্ড আইন নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আটটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ যৌথভাবে এই আইনের নিন্দা জানিয়েছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইসরাইলি পার্লামেন্ট একটি একতরফা বিল পাস করেছে, যেখানে ‘সন্ত্রাসমূলক’ কর্মকাণ্ডে জড়িত ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। তবে একই ধরনের অপরাধে অভিযুক্ত ইহুদি ইসরাইলিদের ক্ষেত্রে এই কঠোর শাস্তি প্রযোজ্য হবে না।
আটটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, এই আইন অত্যন্ত বৈষম্যমূলক এবং এটি অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিদের মৌলিক অধিকার ও অস্তিত্বকে অস্বীকার করে। তারা সতর্ক করে বলেন, ইসরাইলের এই ধরনের নীতিমালা ‘বর্ণবৈষম্যমূলক ব্যবস্থা’কে আরও শক্তিশালী করছে।
এছাড়াও, ইসরাইলি কারাগারে আটক ফিলিস্তিনি বন্দিদের দুর্বিষহ অবস্থার প্রতি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, সেখানে বন্দীদের ওপর নির্যাতন, খাদ্য সংকট এবং মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার মতো অভিযোগ রয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশও এই আইন নিয়ে তাদের উদ্বেগ ও সমালোচনা জানিয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো মনে করে, এই আইন ইসরাইলের ‘বর্ণবৈষম্যমূলক ব্যবস্থার’ একটি অংশ, যা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বৈষম্যকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।
রিপোর্টারের নাম 























