ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে ট্রাম্পের দাবিকে উপহাস: শীর্ষ নেতার মৃত্যু সত্ত্বেও বড় পরিবর্তন আসেনি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ইরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের কথিত সাফল্য নিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে উপহাস করেছেন ন্যাশনাল ইরানিয়ান আমেরিকান কাউন্সিলের (এনআইএসি) সভাপতি জামাল আবদি। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ট্রাম্প ইরানে কোনো শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করেননি, বরং তার এই দাবি ব্যর্থতা ঢাকার একটি কৌশল মাত্র।

ট্রাম্প তার এক ভাষণে উল্লেখ করেন যে, শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল না, তবে ইরানের সব গুরুত্বপূর্ণ নেতার মৃত্যুর ফলে এটি ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘটে গেছে’। কিন্তু জামাল আবদির বিশ্লেষণে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি এবং কয়েকজন শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তা নিহত হলেও দেশটির শাসনব্যবস্থায় তেমন কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি।

খামেনির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তার ছেলে মোজতবা, এবং যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে ‘শাস্তি’ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, ইরানের রাজনৈতিক কাঠামো ও প্রতিরোধ ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শরিফুলের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন: তপ্ত গরমে কিউইদের নাভিশ্বাস

ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে ট্রাম্পের দাবিকে উপহাস: শীর্ষ নেতার মৃত্যু সত্ত্বেও বড় পরিবর্তন আসেনি

আপডেট সময় : ০২:৪০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

ইরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের কথিত সাফল্য নিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে উপহাস করেছেন ন্যাশনাল ইরানিয়ান আমেরিকান কাউন্সিলের (এনআইএসি) সভাপতি জামাল আবদি। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ট্রাম্প ইরানে কোনো শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করেননি, বরং তার এই দাবি ব্যর্থতা ঢাকার একটি কৌশল মাত্র।

ট্রাম্প তার এক ভাষণে উল্লেখ করেন যে, শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল না, তবে ইরানের সব গুরুত্বপূর্ণ নেতার মৃত্যুর ফলে এটি ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘটে গেছে’। কিন্তু জামাল আবদির বিশ্লেষণে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি এবং কয়েকজন শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তা নিহত হলেও দেশটির শাসনব্যবস্থায় তেমন কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি।

খামেনির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তার ছেলে মোজতবা, এবং যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে ‘শাস্তি’ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, ইরানের রাজনৈতিক কাঠামো ও প্রতিরোধ ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রয়েছে।