ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

অনলাইন ক্লাস চালুর সিদ্ধান্তকে ‘আত্মঘাতী’ বললেন মিয়া গোলাম পরওয়ার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

পরিকল্পনা ছাড়াই দেশের মহানগরগুলোতে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস নেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তকে অপরিণামদর্শী ও আত্মঘাতী বলে অভিহিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, জ্বালানি সংকটের অজুহাত দেখিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর অনলাইন ক্লাস চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা জাতিকে মেধাশূন্য করার একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, ইন্টারনেটের উচ্চমূল্যের কারণে অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে এবং দীর্ঘ সময় স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে শিশুদের মধ্যে নৈতিক অবক্ষয় ও ডিভাইসে আসক্তি তৈরি হতে পারে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, কোভিডের সময়ে অনলাইন ক্লাসের প্রভাবে শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে মারাত্মক শিখন ঘাটতির সম্মুখীন হয়েছে, যা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার জরিপেও উঠে এসেছে। নতুন শিক্ষাক্রমের অস্পষ্টতা এবং বর্তমান পরিস্থিতির মাঝে এমন সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে আরও অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেবে। তিনি অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পাঠদান অব্যাহত রাখার দাবি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা বাংলাদেশি জাহাজ ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস ইরানের

অনলাইন ক্লাস চালুর সিদ্ধান্তকে ‘আত্মঘাতী’ বললেন মিয়া গোলাম পরওয়ার

আপডেট সময় : ১১:৫৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

পরিকল্পনা ছাড়াই দেশের মহানগরগুলোতে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস নেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তকে অপরিণামদর্শী ও আত্মঘাতী বলে অভিহিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, জ্বালানি সংকটের অজুহাত দেখিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর অনলাইন ক্লাস চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা জাতিকে মেধাশূন্য করার একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, ইন্টারনেটের উচ্চমূল্যের কারণে অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে এবং দীর্ঘ সময় স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে শিশুদের মধ্যে নৈতিক অবক্ষয় ও ডিভাইসে আসক্তি তৈরি হতে পারে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, কোভিডের সময়ে অনলাইন ক্লাসের প্রভাবে শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে মারাত্মক শিখন ঘাটতির সম্মুখীন হয়েছে, যা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার জরিপেও উঠে এসেছে। নতুন শিক্ষাক্রমের অস্পষ্টতা এবং বর্তমান পরিস্থিতির মাঝে এমন সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে আরও অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেবে। তিনি অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পাঠদান অব্যাহত রাখার দাবি জানান।