ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

নির্মাণের তিন বছর পর অবশেষে চালু হচ্ছে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল

দীর্ঘ তিন বছর ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা রাজশাহী শিশু হাসপাতাল অবশেষে চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে হাসপাতালটি আংশিকভাবে চালু করা হবে।

মঙ্গলবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে সচিব জানান, প্রথমে আউটডোর সেবা শুরু হবে এবং আগামী অর্থবছরে অন্যান্য সেবা চালু করা হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসও রামেক হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে শিশু হাসপাতাল চালুর পাশাপাশি সদর হাসপাতাল ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালসহ অন্যান্য অবকাঠামো সচল করার পরিকল্পনার কথা জানান।

জানা গেছে, প্রায় আট বছর আগে নগরীর বন্ধগেট এলাকায় ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতালটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। তিন বছর আগে এর নির্মাণকাজ শেষ হলেও সরকারের পক্ষ থেকে হাসপাতালটি বুঝে না নেওয়ায় সেবা কার্যক্রম শুরু হয়নি। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় হাসপাতালের বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরিও হয়ে গেছে।

নবনির্মিত শিশু হাসপাতালে ১২টি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (এনআইসিইউ) বেড থাকবে। এনআইসিইউর অভাবে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিশু হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় রামেক হাসপাতালের শিশু বিভাগে রোগীর চরম চাপ রয়েছে। রাজশাহী ছাড়াও রংপুর ও খুলনা বিভাগের শিশুরা এখানে চিকিৎসা নিতে আসে। ২০০ শয্যার বিপরীতে প্রায় ৭০০ রোগী ভর্তি থাকায় কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে হয়। শিশুদের জন্য মাত্র ১২টি এনআইসিইউ শয্যা থাকায় সব সময় দীর্ঘ লাইন থাকে এবং সিরিয়াল পেতে ৩০ থেকে ৫০ জনের অপেক্ষা করতে হয়। সম্প্রতি হামের প্রকোপ বাড়ায় এনআইসিইউর চাহিদা আরও বেড়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফতুল্লায় নির্মাণাধীন ভবনের পানির ট্যাংকি পরিষ্কার করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের প্রাণহানি

নির্মাণের তিন বছর পর অবশেষে চালু হচ্ছে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

দীর্ঘ তিন বছর ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা রাজশাহী শিশু হাসপাতাল অবশেষে চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে হাসপাতালটি আংশিকভাবে চালু করা হবে।

মঙ্গলবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে সচিব জানান, প্রথমে আউটডোর সেবা শুরু হবে এবং আগামী অর্থবছরে অন্যান্য সেবা চালু করা হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসও রামেক হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে শিশু হাসপাতাল চালুর পাশাপাশি সদর হাসপাতাল ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালসহ অন্যান্য অবকাঠামো সচল করার পরিকল্পনার কথা জানান।

জানা গেছে, প্রায় আট বছর আগে নগরীর বন্ধগেট এলাকায় ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতালটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। তিন বছর আগে এর নির্মাণকাজ শেষ হলেও সরকারের পক্ষ থেকে হাসপাতালটি বুঝে না নেওয়ায় সেবা কার্যক্রম শুরু হয়নি। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় হাসপাতালের বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরিও হয়ে গেছে।

নবনির্মিত শিশু হাসপাতালে ১২টি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (এনআইসিইউ) বেড থাকবে। এনআইসিইউর অভাবে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিশু হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় রামেক হাসপাতালের শিশু বিভাগে রোগীর চরম চাপ রয়েছে। রাজশাহী ছাড়াও রংপুর ও খুলনা বিভাগের শিশুরা এখানে চিকিৎসা নিতে আসে। ২০০ শয্যার বিপরীতে প্রায় ৭০০ রোগী ভর্তি থাকায় কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে হয়। শিশুদের জন্য মাত্র ১২টি এনআইসিইউ শয্যা থাকায় সব সময় দীর্ঘ লাইন থাকে এবং সিরিয়াল পেতে ৩০ থেকে ৫০ জনের অপেক্ষা করতে হয়। সম্প্রতি হামের প্রকোপ বাড়ায় এনআইসিইউর চাহিদা আরও বেড়েছে।