কুমিল্লায় জামিনে মুক্তি পেয়ে কর্মস্থলে এসে এক প্রধান শিক্ষিকাকে লাথি ও মারধর করার ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম সুজনের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষিকা হাসিনা ইসলাম গত সোমবার রাতে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় ১১ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রধান আসামি আমিনুল ইসলাম সুজন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান।
ঘটনাটি ঘটে গত রোববার ব্রাহ্মণপাড়ার বেড়াখলা আব্দুল মতিন খসরু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। অভিযোগ রয়েছে, আমিনুল ইসলাম সুজন তার চাচাতো ভাই সিদলাই ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব সোহেল রানাকে সঙ্গে নিয়ে প্রায় অর্ধশতাধিক দলীয় কর্মী নিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে এই হামলা চালান। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম সুজন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জাল সনদে প্রধান শিক্ষক হয়েছিলেন। পরবর্তীতে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি ক্ষমতার জোরে পাঁচ বছরের ছুটি নেন এবং বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত হওয়ার পর উভয় কর্মস্থল থেকে বেতন উত্তোলন করতে থাকেন। জাল রেজুলেশন ও ডিজির স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে ২০১৯ সালে তিনি চাকরি থেকে বরখাস্ত হন।
সম্প্রতি আমিনুল ইসলাম সুজন দাবি করেন যে আদালত তার পক্ষে রায় দিয়েছে এবং এই দাবিতে তিনি প্রায় দুই সপ্তাহ আগে পুনরায় বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। এরপর থেকেই তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাসিনা ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত রোববার সকালে তিনি ও সোহেল রানা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার ওপর হামলা চালান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আমিনুল ইসলাম সুজন বলেন, তিনি ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর স্কুল থেকে ছুটি নিয়েছিলেন এবং তখন সহকারী শিক্ষক হাসিনা ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ষড়যন্ত্র করে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাকে বিদ্যালয়ে যোগদান করার নির্দেশ দিয়েছিলেন, তাই তিনি সেখানে গেলে হাসিনা ইসলামের সঙ্গে তার ঝামেলা হয়।
তবে ভুক্তভোগী শিক্ষক হাসিনা ইসলাম জানান, তিনি গত সোমবার রাতে আমিনুল ইসলাম সুজনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। তিনি পুলিশের কাছে আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান এবং সুষ্ঠু বিচার কামনা করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহান বলেছেন, হাইকোর্টের রায় পাওয়ার পর তিনি প্রধান শিক্ষককে…
রিপোর্টারের নাম 

























