তরুণ রাজনীতিবিদ এবং চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান রাজনীতিকে নিছক ক্ষমতার চর্চা হিসেবে না দেখে মানুষের সেবার একটি ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তাঁর প্রতিটি কথা ও দর্শনে একটি সুশিক্ষিত ও আদর্শিক জাতি গঠনের স্বপ্ন প্রতিফলিত হয়। শৃঙ্খলা, গভীর দায়িত্ববোধ এবং অমায়িক ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে এক স্বতন্ত্র পরিচিতি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।
গত দুই দশক ধরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া সাঈদ আল নোমান সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁর এই কাজের প্রতি অদম্য নিষ্ঠার কথা ব্যক্ত করে বলেন, ‘শিক্ষার প্রসার ও মানুষের সেবাই আমার আজীবনের অ্যাসাইনমেন্ট।’
প্রয়াত মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল নোমানের পুত্র সাঈদ আল নোমান গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর-খুলশী) আসন থেকে ১ লাখ ২২ হাজার ৯৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শামসুজ্জামান হেলালী পেয়েছিলেন ৭৬ হাজার ৯১৯ ভোট, যা সাঈদ আল নোমানকে প্রায় ৫৯.৮৭ শতাংশ বেশি ভোট এনে দেয়।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাঈদ আল নোমান জানান, শিক্ষা নিয়ে তাঁর পথচলা প্রায় দুই দশকের। তিনি চট্টগ্রামে একটি আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং নিজ হাতে অসংখ্য সামাজিক ও শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। তাঁর বাবা, বিএনপির রাজনীতিতে কিংবদন্তি হিসেবে পরিচিত প্রয়াত মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল নোমানের দেখানো পথেই জীবনের বাকি সময়টুকু পার করতে চান বলেও তিনি জানান। তাঁর কথাবার্তা ও চাল-চলন দেখে বোঝা যায়, এই তরুণ জনপ্রতিনিধি মানুষের সেবা এবং সমাজ পরিবর্তনে নিজেকে সঁপে দিতে প্রস্তুত।
সাঈদ আল নোমান জানান, জীবনের গত ২০ বছর তিনি শিক্ষার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং এক মুহূর্তের জন্যও পড়াশোনা থেকে সরে যাননি। তিনি দেশে ও বিদেশে নিজে যেমন পড়াশোনা করেছেন, তেমনি অনেককে পড়িয়েছেন। তিনি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলার উপর জোর দেন।
রিপোর্টারের নাম 

























