ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

উখিয়ায় হাম মোকাবিলায় নতুন আইসোলেশন ওয়ার্ডের প্রস্তুতি, ভর্তি ৩ শিশু; চলছে নমুনা সংগ্রহ

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় হাম রোগের সম্ভাব্য প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে এক রোহিঙ্গা শিশুসহ মোট তিন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এছাড়াও আরও চারজনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এহেছান উল্লাহ সিকদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি হওয়া তিন শিশুর মধ্যে একজন রোহিঙ্গা এবং বাকি দুজনের একজন উখিয়া, অন্যজন রামু উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে তারা হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। হামে আক্রান্ত শিশুদের জন্য পৃথকভাবে চিকিৎসার সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাওন জানিয়েছেন, আক্রান্ত শিশুদের জন্য অক্সিজেন সরবরাহ, নার্স স্টেশন এবং চিকিৎসকদের বসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে। যেসব শিশুর অক্সিজেনের প্রয়োজন হচ্ছে, তারা তা পাচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এহেছান উল্লাহ সিকদার বলেন, হাম রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং হাসপাতালের সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। নতুন আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর মাধ্যমে আক্রান্ত রোগীদের পৃথক রেখে চিকিৎসা প্রদান করা হবে। একই সাথে, নমুনা সংগ্রহ ও রোগী পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২৪ ঘণ্টায় হামে ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৭৮; স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্বেগ

উখিয়ায় হাম মোকাবিলায় নতুন আইসোলেশন ওয়ার্ডের প্রস্তুতি, ভর্তি ৩ শিশু; চলছে নমুনা সংগ্রহ

আপডেট সময় : ০৪:০০:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় হাম রোগের সম্ভাব্য প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে এক রোহিঙ্গা শিশুসহ মোট তিন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এছাড়াও আরও চারজনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এহেছান উল্লাহ সিকদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি হওয়া তিন শিশুর মধ্যে একজন রোহিঙ্গা এবং বাকি দুজনের একজন উখিয়া, অন্যজন রামু উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে তারা হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। হামে আক্রান্ত শিশুদের জন্য পৃথকভাবে চিকিৎসার সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাওন জানিয়েছেন, আক্রান্ত শিশুদের জন্য অক্সিজেন সরবরাহ, নার্স স্টেশন এবং চিকিৎসকদের বসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে। যেসব শিশুর অক্সিজেনের প্রয়োজন হচ্ছে, তারা তা পাচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এহেছান উল্লাহ সিকদার বলেন, হাম রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং হাসপাতালের সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। নতুন আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর মাধ্যমে আক্রান্ত রোগীদের পৃথক রেখে চিকিৎসা প্রদান করা হবে। একই সাথে, নমুনা সংগ্রহ ও রোগী পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।