গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে কবিতা বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় নিহতের মা হাসনা বেগম বাদী হয়ে কবিতা বেগমের স্বামী হারুনসহ চারজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ইতিমধ্যে প্রধান আসামি হিসেবে নিহতের স্বামী হারুনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আটক করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক হারুনের পুরুষাঙ্গ কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে, যা ঘটনার ভয়াবহতা নির্দেশ করে। তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩৪ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের পারআমলাগাছী গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মোস্তাফিজার রহমানের ভাড়া বাসা থেকে কবিতা বেগমের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত কবিতা বেগম সাদুল্লাপুর উপজেলার খোদ্দ কোমরপুর ইউনিয়নের বড় গোপালপুর গ্রামের বকু মিয়ার মেয়ে।
খবর পেয়ে ২৯ মার্চ পলাশবাড়ী থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে রংপুর হাসপাতাল থেকে প্রধান আসামি স্বামী হারুনকে গ্রেপ্তার করে। হারুন সাদুল্লাপুর উপজেলার ঈদিলপুর ইউনিয়নের চকভগবানপুর গ্রামের বাসিন্দা। পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরওয়ার আলম খান জানিয়েছেন, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। হারুনকে আটকের পাশাপাশি বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























