বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং এর সঙ্গে জড়িত অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে সংসদে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি অভিযোগ করেছেন যে বিগত সময়ে বিসিবি তার অর্থ ও জনবল ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে সুবিধা দিয়েছে এবং বিভিন্ন অপকর্ম সংঘটিত করেছে। প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছেন।
গতকাল সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘বিগত সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের যে অর্থ কিংবা জনবল ছিল, তা ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট গ্রুপকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে এবং অপকর্ম করা হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই বোর্ডের যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
তিনি আরও দাবি করেন যে বিসিবির কিছু প্রভাবশালী কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সম্পদ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সবশেষ ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী ব্যক্তিগত সম্পদের হিসাব নেওয়ার কিছু ইস্যু আমার সামনে পরিলক্ষিত হয়েছে। দুদক মহাপরিচালকের কাছে আমার আহ্বান, এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত বা তথ্য থাকলে আমাদের জানান। দুর্নীতিবাজদের আমলনামা জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে।’
আমিনুল হক বিগত সরকারের আমলে পুরো ক্রীড়াঙ্গনকে দলীয়করণ ও রাজনীতিকরণের মাধ্যমে ধ্বংসের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় ২০০৮ সাল থেকে ক্রিকেট বোর্ডসহ পুরো ক্রীড়াঙ্গনকে দলীয়করণ ও রাজনীতিকরণের মাধ্যমে ধ্বংসের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল।’
এই সকল দুর্নীতি বন্ধ করতে এবং দেশের খেলাধুলাকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে ক্রীড়াঙ্গনে শুদ্ধি অভিযান ও সংস্কার প্রক্রিয়ার ওপর জোর দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
রিপোর্টারের নাম 

























