সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ১১টি নতুন নির্দেশনা জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এই নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে সকালে অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে ৪০ মিনিট অবস্থান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় এবং অফিসের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা। রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই নির্দেশনা সংক্রান্ত চিঠি দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ নিজ অফিস কক্ষে আবশ্যিকভাবে অবস্থান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে, এই নির্দেশনাগুলো প্রতিপালনে কিছু ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হওয়ায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবার আরও সুনির্দিষ্টভাবে ১১ দফা নির্দেশনা দিয়েছে।
নির্দেশনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান নিশ্চিত করা এবং দাপ্তরিক কর্মসূচি প্রণয়নে এই সময়সীমা যেন বিঘ্নিত না হয় সেদিকে সতর্ক থাকা। দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার কমিয়ে জানালা, দরজা বা ব্লাইন্ড খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অফিস চলাকালীন কেবল প্রয়োজনীয় সংখ্যক লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখার কথা বলা হয়েছে। অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় সকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ইত্যাদি স্থানে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ রাখা এবং অফিস সময় শেষ হওয়ার পর কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানারসহ সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা ছাড়া আলোকসজ্জা পরিহার এবং জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পাশাপাশি অফিস কক্ষ, করিডোর, টয়লেট, সিঁড়ি ইত্যাদি নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এসব নির্দেশনা সঠিকভাবে প্রতিপালন ও পর্যবেক্ষণের জন্য প্রতিটি দপ্তর/সংস্থা/কার্যালয়কে ভিজিল্যান্স টিম গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























