সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ছবি ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে প্রায় ৭০ জন ব্রিটিশ নাগরিককে আটক করা হয়েছে। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, এই অপরাধে তাদের সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বলে জানা গেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক দুটি মানবাধিকার সংস্থা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আটকদের মধ্যে পর্যটক, প্রবাসী এবং বিমান সংস্থার ক্রু সদস্যরাও রয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, আটক ব্যক্তিদের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রাখা হয়েছে এবং তাদের পর্যাপ্ত ঘুম, খাবার ও চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। শুধু ছবি তোলা বা ভিডিও ধারণ করাই নয়, এসব ছবি বা ভিডিও সংগ্রহ করাও অপরাধ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এই অপরাধের জন্য প্রায় ২ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত জরিমানা অথবা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
আমিরাতের আইন অনুযায়ী, জননিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে পারে এমন যেকোনো ছবি তোলা বা প্রচার করা নিষিদ্ধ। হামলার সময় সংশ্লিষ্ট এলাকায় থাকা মোবাইল ব্যবহারকারীদের আরবি ও ইংরেজিতে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল, যেখানে ছবি তোলা বা শেয়ার করার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কথা স্পষ্ট উল্লেখ ছিল।
দুবাই ওয়াচ-এর প্রতিষ্ঠাতা ডেভিড হেইগ জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে আটজন ব্রিটিশ নাগরিকের পক্ষে আইনি সহায়তা দিচ্ছেন। স্থানীয় আইনজীবীদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, শুধু দুবাইতেই প্রায় ৩৫ জন ব্রিটিশ নাগরিক আটক রয়েছেন এবং আবুধাবিতেও একই সংখ্যক ব্যক্তি আটক থাকতে পারেন। কিছু আটকের জামিনে মুক্তি পেলেও তাদের পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে, যার ফলে তারা দেশ ছাড়তে পারছেন না। অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে তারা কর্মসংস্থান ও বাসস্থান সংকটে পড়ার আশঙ্কা করছেন।
রিপোর্টারের নাম 





















