মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে উদ্ভূত সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সমন্বিতভাবে কাজ করছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি দেশের প্রতিটি ফিলিং স্টেশনকে জ্বালানি সংক্রান্ত তথ্য নিয়মিত প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে বিপিসি।
শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিপিসি জানায়, বিপণন কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে সারাদেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। মাঠপর্যায়ে সরবরাহ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে পেট্রোল পাম্প, প্যাকড পয়েন্ট ডিলার ও ফিলিং স্টেশনগুলোর জন্য নির্দিষ্ট সময়সূচি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। বিপিসির অধীনস্থ ডিপো বা প্রধান স্থাপনাগুলো থেকে জ্বালানি সংগ্রহের ক্ষেত্রে এই সময়সূচি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। প্রতিটি পাম্পের সামনে দৃশ্যমান স্থানে হোয়াইট বোর্ডে নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী তথ্য প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত প্রধান স্থাপনা বা ডিপো থেকে জ্বালানি পণ্য সরবরাহ করা হবে। এছাড়া, প্রতিটি ফিলিং স্টেশন ও ডিলার পয়েন্টে চলতি মাসের গড় জ্বালানি প্রাপ্তি, গত বছরের একই সময়ের তথ্য এবং বর্তমানে মজুদ ও জ্বালানির নাম সংবলিত ব্ল্যাক বা হোয়াইট বোর্ড স্থাপন করতে হবে।
বিপিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা ফারজিন হাসান মৌমিতা জানান, গত ২৮ মার্চ থেকে এই নির্দেশনা কার্যকর করার জন্য পাম্প ও ডিলারদের বলা হয়েছে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় যেকোনো ধরনের বিঘ্ন এড়াতে বিপিসির কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক তদারকি চালিয়ে যাচ্ছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























