যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে রংপুরে পালিত হয়েছে ঐতিহাসিক ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে নিরস্ত্র জনতার ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাওয়ের ঘটনাকে স্মরণ করে শনিবার সকালে নগরীর নিসবেতগঞ্জে অবস্থিত ‘রক্ত গৌরব’ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আব্দুল মোতালেব সরকার। তিনি শহিদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এছাড়াও রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়নাল আবেদীন, রংপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা পৃথকভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
রংপুর মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড ইউনিটের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর মোহাম্মদ মিয়া এবং সদস্য-সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তারসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে সাধারণ মানুষ বাঁশের লাঠি ও তীর-ধনুক নিয়ে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করেছিলেন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তারা এই সাহসী কর্মসূচি পালন করেন। সে সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালালে শত শত মানুষ শহিদ হন। দিনটি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল ও বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে।
রিপোর্টারের নাম 

























