ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

সীতাকুণ্ডে র‍্যাব কর্মকর্তা হত্যা মামলার ৫ আসামি গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব কর্মকর্তা হত্যা মামলার তদন্তে বড় সাফল্য পেয়েছে পুলিশ। শুক্রবার রাতভর জঙ্গল সলিমপুরসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াছিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগীসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে দেলোয়ার হোসেন ও মো. সোহেল সন্ত্রাসী ইয়াছিনের অত্যন্ত বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিত। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই র‍্যাব কর্মকর্তা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে আসামি ধরতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলার শিকার হন র‍্যাব-৭ এর উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল মোতালেব ভূঁইয়া। সন্ত্রাসীরা তাকে অপহরণ করে পাহাড়ের গহিনে নিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে। এই ঘটনায় এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও মূল পরিকল্পনাকারী ইয়াছিন এখনো পলাতক রয়েছে।

গত ৯ মার্চ যৌথ বাহিনীর বিশাল অভিযানের পরও মূল হোতা ইয়াছিন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় বর্তমানে ঐ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের দুটি স্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। পলাতক অন্যান্য আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রেখেছে প্রশাসন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংস্কারের ধীরগতিতে আইএমএফের কিস্তি স্থগিত, বাংলাদেশের ঋণের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

সীতাকুণ্ডে র‍্যাব কর্মকর্তা হত্যা মামলার ৫ আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১২:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব কর্মকর্তা হত্যা মামলার তদন্তে বড় সাফল্য পেয়েছে পুলিশ। শুক্রবার রাতভর জঙ্গল সলিমপুরসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াছিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগীসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে দেলোয়ার হোসেন ও মো. সোহেল সন্ত্রাসী ইয়াছিনের অত্যন্ত বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিত। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই র‍্যাব কর্মকর্তা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে আসামি ধরতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলার শিকার হন র‍্যাব-৭ এর উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল মোতালেব ভূঁইয়া। সন্ত্রাসীরা তাকে অপহরণ করে পাহাড়ের গহিনে নিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে। এই ঘটনায় এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও মূল পরিকল্পনাকারী ইয়াছিন এখনো পলাতক রয়েছে।

গত ৯ মার্চ যৌথ বাহিনীর বিশাল অভিযানের পরও মূল হোতা ইয়াছিন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় বর্তমানে ঐ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের দুটি স্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। পলাতক অন্যান্য আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রেখেছে প্রশাসন।